২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ধূমপায়ী শিক্ষার্থীরা মেডিক্যালে ভর্তি হতে পারবে না

  • রাজধানীতে যক্ষ্মা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ধূমপায়ী শিক্ষার্থীরা আগামী বছর থেকে কোন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ধূমপানমুক্ত সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে। যারা এই সার্টিফিকেট দিতে পারবে না, তারা কোন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। এ সংক্রান্ত চিঠি এরই মধ্যে সব মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী বছর থেকেই এই নিয়ম বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা মোকাবেলায় ডিওটির (ডট) ভূমিকা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গোলটেবিল বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডাঃ রশীদ-ই-মাহবুব ও নাটাবের সহ-সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু প্রমুখ।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ, সিসিইউর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু আমাদের লোকবল কম। আমরা গত বছর ৬ হাজার ডাক্তার গ্রামে দিয়েছি। সমস্যা নিরসনে কাজ করছি। স্বামী-স্ত্রী উভয় ডাক্তার হলে একই জায়গায় পোস্টিং দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর পরিচালক ডা. মোঃ মোজ্জাম্মেল হক বলেন, যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের মধ্যে ২২৭ জন নতুন করে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়। একজন যক্ষ্মা রোগীর ১ বছর যদি চিকিৎসা না করা হয়, তা হলে তার থেকে এই রোগ আরও ১০ জনের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, যক্ষ্মা শনাক্তকরণ একটি বড় সমস্যা। এসব ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন আছে এটি ঠিক। কিন্তু এসব যন্ত্রপাতি চালানোর মতো দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে দেশে। তবে সরকার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ব্র্যাকের যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া কন্ট্রোল প্রোগ্রামের পরিচালক ডাঃ আকরামুল ইসলাম বলেন, যক্ষ্মা রোগী নির্ণয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এক্স-রে। সারাদেশে ৫শ’ উপজেলায় ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন দেয়া উচিত। নতুবা আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গেলেও রোগ শনাক্ত করতে পারব না। তাই এতে তেমন একটা ফল হবে না।