২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আরও খবর

  • গ্রুপ সেরা লিভারপুল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ গ্রুপ সেরা হয়ে উয়েফা ইউরোপা লীগ ফুটবলের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। বৃহস্পতিবার রাতে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের ক্লাব সিওনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে দ্য রেডসরা। গ্রুপের আরেক ম্যাচে রাশিয়ার রুবিন কাজানের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে ফরাসী ক্লাব বোর্ডেক্স।

এই গ্রুপ থেকে ছয় ম্যাচে লিভারপুলের ভা-ারে জমা সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট। দ্বিতীয় হওয়া সিওন ৯ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ পর্বের টিকেট পেয়েছে। রুবিন কাজান ও বোর্ডেক্স দুই দলই বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। স্বাগতিক সিওনের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকে লিভারপুল। আক্রমণাত্মক ফুটবলে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগ ব্যস্ত রাখেন অতিথি ফুটবলাররা। তবে গোল মিসের মহড়ার কারণে জয়বঞ্চিত থেকেই মাঠ ছাড়তে হয় জার্গেন ক্লপের দলকে।

আগামী ১৪ ডিসেম্বর ইউরোপা লীগের শেষ ৩২ এর ড্র অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম লেগ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় লেগের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

বহিষ্কার বেনজেমা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য অনেক সাফাই গেয়েছে করিম বেনজেমা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা এই স্ট্রাইকারকে নিষিদ্ধই করেছে ফ্রান্স। ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবেন না বেনজেমা। এর ফলে নিজের দেশে ২০১৬ সালের ইউরোতে খেলার সুযোগ নাও হতে পারে সময়ের অন্যতম সফল এই ফুটবলারের।

জাতীয় দল সতীর্থ ম্যাথিউ ভালবুয়েনাকে ‘সেক্স টেপ’ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার ঘটনায় বেনজেমাকে বহিষ্কার করেছে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রতারণার এই ঘটনায় বেনজেমার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

বন্ধ থাকছে এসএ গেমসের

ক্যাম্প!

কমছে স্পন্সরদের অর্থের পরিমাণ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা ‘বিজয় দিবস হকি টুর্নামেন্ট’। এতে অংশ নেবে ছয় দল। তবে দলবদলের জটিলতার কারণে প্রিমিয়ার ডিভিশনের কোন ক্লাব অংশ নিচ্ছে না এই টুর্নামেন্টে। সার্ভিসেস টিমগুলো তাদের খেলোয়াড়দের চেয়েছে টুর্নামেন্টের জন্য। যাদের বেশিরভাগই রয়েছেন এসএ গেমসের জাতীয় হকি দলের ক্যাম্পে। যে কারণে টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে বন্ধ থাকতে পারে জাতীয় দলের ক্যাম্প। এমনটাই জানিয়েছেন জাতীয় দলের কোচ মাহবুব হারুন।

যদিও টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ায় জাতীয় দলের প্রায় সব খেলোয়াড়রা খেলার মধ্যেই থাকবেন। তারপরও জাতীয় দলের ক্যাম্পে অনুশীলন আর টিমের হয়ে অনুশীলন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সেক্ষেত্রে কিছুটা বিঘœ ঘটবে জাতীয় দলের ক্যাম্পে। তবে টুর্নামেন্টের জন্য খেলোয়াড়দের ছাড়তেই হবে। প্রতি ম্যাচ খেলার পর দলগুলোর খেলোয়াড়রা আবার জাতীয় দলের ক্যাম্পে অনুশীলনে যোগ দিতে পারবেন কি না, টুর্নামেন্ট চলাকালীন জাতীয় দলের ক্যাম্প চালানো সম্ভব কি না? এসব বিষয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানান দলের কোচ। এ বিষয়ে ফেডারেশনের সঙ্গে তার আলোচনা হচ্ছে। তবে ক্যাম্প বন্ধ থাকার সম্ভাবনাই বেশি। সেক্ষেত্রে ২৪ ডিসেম্বর বিজয় দিবস হকি টুর্নামেন্ট শেষ হলে ২৫ ডিসেম্বর থেকে আবারও শুরু হবে জাতীয় দলের ক্যাম্প।

এদিকে প্রায় পঞ্চাশ লাখ টাকা কমেছে হকির স্পন্সর। সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহের কারণ হিসেবে ফেডারেশন ও বিদ্রোহী ক্লাব দ্বন্দ্ব আর খেলা মাঠে না থাকাকেই দায়ী করেছেন। তবে অচিরেই সচ্ছল হবে হকির আর্থিক অবস্থাÑ এমনটাই দাবি তার। প্রয়োজন বেশি বেশি টুর্নামেন্ট আয়োজন।

হকিতে মাঠের সাফল্য যেন ফেডারেশনের স্থিতিশীলতা সমানুপাতিক। একই পথে হেঁটেছে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফেডারেশন-ক্লাব দ্বন্দ্বের খেসারত এশিয়ান গেমস, হকি বিশ্ব লীগের মতো আন্তর্জাতিক আসরে ভরাডুবি। হয়নি ঘরোয়া লীগও। আর তাই অর্থ সঙ্কটে হকি। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৩ স্পন্সর প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পেয়েছিল ফেডারেশন। পরের অর্থবছরে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নেমে আসে অর্ধেকে। স্পন্সর থেকে অর্থের পরিমাণ কমেছে ৪৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। তারপরও ফেডারেশনের স্থবিরতা কাটায় আশার আলো দেখছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। স্পন্সর বাড়াতে বেশকিছু উদ্যোগ নিতে চান তিনি। যেখানে প্রাধান্য পাচ্ছে টুর্নামেন্ট আয়োজন। যদিও ঘরের মাটিতে আগামী বছর হকিতে কোন আন্তর্জাতিক আসরই নেই!

টি২০ মহিলা বিশ্বকাপ

জাহানারাদের গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সূচী ও গ্রুপিং ঘোষণা করা হয়েছে। একই সময়ে আয়োজিত হবে পুরুষ ও মহিলাদের বিশ্বকাপ। টানা দ্বিতীয়বারের মতো মহিলাদের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল। কিছুদিন আগে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের বাছাইয়ে রানার্সআপ হওয়ার মাধ্যমে মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। পুরুষদের প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক রাউন্ড থাকলেও মহিলাদের ফরমেট ভিন্ন। ১০ মহিলা ক্রিকেট দল এবারের প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলবে। এবার চূড়ান্ত পর্বে ‘বি’ গ্রুপে জাহানারা আলমদের প্রতিপক্ষ ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও আছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫ মার্চ ব্যাঙ্গালুরুতে মহিলাদের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী দিনে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের মেয়েরা।

গত বছর সর্বশেষ টি২০ বিশ্বকাপের আসর বসেছিল বাংলাদেশে। সেবারই প্রথম বাংলাদেশের মেয়েরা বিশ্বকাপের মতো আসরে অংশ নিয়েছিল। এবার বাছাইপর্ব খেলে দ্বিতীয়বারের মতো একই যোগ্যতা অর্জন করেছে জাহানারার দল। এবার মহিলাদের প্রতিযোগিতায় বাড়ানো হয়েছে প্রাইজমানির পরিমাণ। এবার মোট প্রাইজমানি থাকছে ৪ লাখ মার্কিন ডলার। এটি গত আসরের চেয়ে ১২২ শতাংশ বেশি। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ড। আর ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও পাকিস্তান। ২০০৯ সালে প্রথম মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা ২০১০, ২০১২ ও ২০১৪ সালে। বাংলাদেশের মেয়েরা ১৫ মার্চ ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলার পর ব্যাঙ্গালুরুতে ১৭ মার্চ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, ২০ মার্চ চেন্নাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, ২৪ মার্চ নয়াদিল্লীতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে। ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু কখনও জিততে পারেনি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র একটি করে ম্যাচ খেলেছে এবং হেরে গেছে। ইংল্যান্ডের মেয়েদের বিপক্ষে এক ম্যাচ খেলেছিল গত টি২০ বিশ্বকাপে। সে ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। এখন পর্যন্ত ২৬ টি২০ খেলে মাত্র ৫ ম্যাচ জিততে পেরেছে জাহানারারা। বাকি ২১ ম্যাচেই হারতে হয়েছে।

শ্রীলঙ্কাকে পথ দেখাচ্ছেন চান্দিমাল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ডুনেডিন টেস্টে ভাল অবস্থায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে অলআউট হওয়ার আগে ৪৩১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে স্বাগতিক কিউইরা। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১৯৭ রান। ৮৩ রান নিয়ে ব্যাট করছেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা দিনেশ চান্দিমাল। ফলোঅন এড়াতে আর মাত্র ৩৪ রান চাই লঙ্কানদের। ব্যক্তিগত ১০ রান নিয়ে চান্দিমালের সঙ্গে আছেন প্রতিভাবান কিথরুয়ান ভিতানাগে। এর আগে সকালে ৮ উইকেটে ৪০৯ রান নিয়ে খেলা শুরু করে নিউজিল্যান্ড। বাকি দুই উইকেট হারিয়ে ২২ রান যোগ করে তারা। সর্বোচ্চ প্রথম দিনেই সেঞ্চুরি তুলে নেয়া মার্টিন গাপটিলের ১৫৬, কেন উইলিয়ামসনের ৮৮, অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের ৭৫ এবং শেষ দিকে ডগ ব্র্রেসওয়েলের ৪৭ উল্লেখ্য।

২৯ রানে ২ উইকেট হারানো অতিথিদের পথ দেখাচ্ছেন চান্দিমাল। যার কথা আলাদা করে না বললেই নয়। কিউই বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে যখন অন্য সবাই খাবি খেয়েছেন, তখন মাথা ঠা-া রেখে এক প্রান্ত থেকে দলকে ভরসা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অপরাজিত ৮৩ রানের পথে একটা ব্যক্তিগত অর্জনও হয়ে গেছে চান্দিমালের। ২০১৫ সালে এশিয়ান খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান এখন তারই। ১৭ টেস্টে ৭৯২। চান্দিমাল রানের সংখ্যায় পেছনে ফেলে দিয়েছেন ইউনিস খানকে। ১৪ টেস্টে ইউনিসের রান ৭৮৯। টেস্ট ইতিহাসে এক বর্ষপঞ্জিতে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ডটা অবশ্য এখানে দু-জনের নাগালের অনেক বাইরে। সেটিও এশিয়ারই এক খেলোয়াড়েরই। ২০০৬-এ অবিশ্বাস্য একটি বছর কাটানো মোহাম্মদ ইউসুফ ১১ টেস্টে করেছিলেন ১৭৮৮ রান। সাবেক পাকিস্তানী তারকা পেছনে ফেলেছিলেন স্যার ভিভ রিচার্ডসকে। তবে চান্দিমালের ছোট্ট এই অর্জনের দিনটা খুব একটা স্বস্তি নিয়ে শেষ করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ইনিংসের শুরুতেই ২৯ রানের মধ্যে ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) ও অভিষিক্ত উদারা জয়াসুন্দারাকে (১) হারায় সফরকারীরা।