২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সড়কের কাজ শুরু

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ শেষ পর্যন্ত দশ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বগুড়া শহর থেকে দ্রুত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছার সংক্ষিপ্ত সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। ২ হাজার ৫ সালে বগুড়া শহরতলির ছিলিমপুর এলাকায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) ও হাসপাতাল নির্মিত হওয়ার পর বাইপাস ও মহাসড়কের প্রায় ৫কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে পৌঁছতে হতো।

ওই সময় কথা ছিল শহরের ভিতরের বগুড়া মোহাম্মদ আলী জেনারেল হাসপাতালের পাশ দিয়ে মালগ্রাম হয়ে শজিমেক হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছার সংক্ষিপ্ত রাস্তা নির্মান করা হবে। যাতে হাসপাতালে পৌঁছতে সাধারনের ভোগান্তি না হয়। ৮শ’ মিটারের এই পথটি দশ বছরেও নির্মিত না হওয়ায় দিনে দিনে ভোগান্তির মাত্রা বাড়তেই থাকে। এরই মধ্যে মাস কয়েক আগে সেতু ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধ করে দেয়ায় জনভোগান্তি আরও চরমে ওঠে।

শজিমেক হাসপাতালে সাধারণ ও জরুরী রোগী পৌঁছাতে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়া বগুড়ার সাধারন মানুষ পূর্বের প্রস্তাবিত রান্তা নির্মানের দাবি জানাতে থাকে। গত ১২ নবেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বগুড়ার জনসভায় ভাষণ দেয়ার আগে তার কাছে বিষয়টি উত্থাপন করলে তিনি তাৎক্ষনিক রাস্তাটি নির্মানের নির্দেশ দেন। তারপরই সড়ক ও জনপথ (স ও জ) বিভাগ ১৮ ফুট চওড়া ৮শ’ মিটার রাস্তা নির্মানের কাজ শুরু করে। পথটি নির্মিত হলে শহরের খান্দার এলাকা থেকে থ্রি হুইলারে শজিমেক হাসপাতালে পৌঁছতে সময় নেবে মাত্র ৫ মিনিট। রিক্সায় যেতে বড় জোর পনের মিনিট। ইতোমধ্যে এই পথে মাটি কাটার কাজ শুরু হয়ে ছোট ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মিত হয়েছে। স ও জ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গির আলম জানালেন দুুই মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হয়ে যানবাহন চলাচলে উন্মুক্ত করা হবে। উন্নত পেভমেন্টর এই পথ নির্মানে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। শজিমেক কর্তৃপক্ষ জানায় শহরের খান্দার ও মালগ্রামের এই পথটি খুবই সহজ পথ। স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ি ছাড়াও মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পুলিশী নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ