২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টিকে থাকার লড়াইয়ে নামছে বরিশাল-ঢাকা

টিকে থাকার লড়াইয়ে নামছে বরিশাল-ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক ॥ টিকে থাকার লড়াইয়ে সন্ধ্যায় মাঠে নামছে বরিশাল বুলস ও ঢাকা ডায়নামাইটস। এ ম্যাচে যারা হারবে তারাই বাদ। আর জয়ী দল রোববার মুখোমুখি হবে আজকের কোয়ালিয়ার ম্যাচের পরাজিত দলের সঙ্গে।রবিবার হবে এ ম্যাচটি। এ ম্যাচে জয়ী দল উঠবে ফাইনালে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রংপুর রাইডার্সের মতো বরিশাল বুলসের পয়েন্টও ১৪। কিন্তু রান রেটের পিছিয়ে থাকার কারণে এলিমেনেটর পর্ব খেলতে হচ্ছে বুলসকে। অন্যদিকে অনেকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে শেষ চারে ওঠে ঢাকা ডায়নামাইটস।

গ্রুপ পর্বের শেষ লম্যাচটি ছিল ঢাকা ডায়নামাইটস ও বরিশাল বুলসের। দারুণ এক উত্তেজনার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় পায় বরিশাল বুলস। দুই বল বাকি থাকতে ২ উইকেটে জয় পায় বুলস। তাই আজ এলিমিনেটরের লড়াইয়ের ড্রেস রিহার্সালটা সেই ম্যাচই হয়ে গেছে। যে কারণে দুই দলের কেউ গতকাল অনুশীলন করেনি। যদিও সেই ম্যাচের জয় পরাজয় শেষ চারের অবস্থানে কোনো প্রভাব ফেলেনি। তবে আজকের ম্যাচটি কঠিন। বাঁচা-মরার লড়াই। হেরে যাওয়া দলকে বিদায় নিতে হবে চলতি আসর থেকে। অবশ্য জিতে যাওয়া দলও সরাসরি ফাইনাল খেলতে পারবে না। প্রথম কোয়ালিফায়ারে যে দল হারবে তাদের সঙ্গে খেলতে হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। সেখানেই জয়ী দল পাবে ফাইনাল খেলার টিকিট।

বরিশাল বুলসের অন্যতম শক্তি বলতে ৫ ম্যাচের জন্য বিপিএল খেলতে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইল। প্রথম দুই ম্যাচে রান না পেলেও নিজের তৃতীয় ম্যাচে টি-টোয়েন্টির এই দানব জেগে ওঠেন। চিটাগং ভাইকিংসদের বিপক্ষে ৯টি ছয়ের মারে মাত্র ৪৭ বলে খেলেছেন ৯২ রানের টর্নেডো ইনিংস। কিন্তু গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটিতে তাকে দেয়া হয়েছিল বিশ্রাম। যদিও গেইল ছাড়াই জয় ঢাকার বিপক্ষে জয় পায়। কিন্তু আজ ভাগ্য নির্ধারণের ম্যাচে ঢাকার ভাগ্যকে দুর্ভাগ্যে রূপ দিতে পারেন গেইল। এছাড়াও চলতি আসরে একমাত্র ও প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকানো এভিন লুইসও আছে বুলসের ব্যাটিং শক্তি হয়ে। বুলসরা প্রথম টানা ৫টি ম্যাচ জিতলেও শেষ দিকে এসে জিতেছে মাত্র ২টি ম্যাচ।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা চলতি আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী। এই পর্যন্ত ৯ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে ২টি ফিফটিতে এসেছে ৩৩৯ রান। এছাড়াও বল হাতে ১৫ উইকেট নিয়ে উইকেট শিকারের তালিকাতে তৃতীয় স্থানে আছেন ঢাকার স্পিনার মোশরারফর হোসেন রুবেল।

এছাড়াও তরুণ ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাদ্দাম ইসলাম অনিক, অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজা ছাড়াও দলের আইকন ক্রিকেটার নাসির হোসেন ব্যাটে-বলে যে কোন মুহূর্তে ঘুরিয়ে দিতে পারেন ম্যাচের মোড়। যদিও নাসির এখন পর্যন্ত নিজের সেরাটি এখনও প্রদর্শনই করতে পারেননি। তবে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে হয়তে জেগে উঠবেন তিনি। শুধু তাই নয়, অধিনায়ক সাঙ্গাকারাও ব্যাট হাতেই নয় উইকেটের পিছনে থেকেও লড়াইটা বেশ ভালভাবে করে যাচ্ছেন। তাই প্রতিক্ষ দলে গেইল থাকলেও সাঙ্গাকারাকে নিয়েও তাদের ভাবতে হবে বেশ আলাদা ভাবেই। তবে প্রথম দিকের প্রায় সব ম্যাচেই জয়ের জন্য অন্যতম ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ১০ ম্যাচে দুটি ফিফটিসহ তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৮৯ রান। এছাড়াও বল হাতে বুলসদের অন্যতম শক্তি চলতি আসরে ১৩ উইকেট পাওয়া কেভিন কুপার।