১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুড়িয়ে মানুষ হত্যাকারী হুকুমদাতা অর্থদাতা সবারই বিচার হবে

পুড়িয়ে মানুষ হত্যাকারী হুকুমদাতা অর্থদাতা সবারই বিচার হবে
  • মেদিনীমণ্ডল খানবাড়ির বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

উত্তম চক্রবর্তী/মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল, লৌহজং, (মুন্সীগঞ্জ) থেকে ॥ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ের মাধ্যমে যারা মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, যারা এসব হত্যার হুকুমদাতা, অর্থ যোগানদাতা, পরিকল্পনাকারী- তাদের প্রত্যেকের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে। মানুষের জীবন নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। এ দলটি (বিএনপি) মানুষের কল্যাণ করতে পারে না, ধ্বংস করতে পারে। তারা বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়। দেশবাসীকে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘মিথ্যা মামলায় হয়রানির’ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তারা (বিএনপি) বলে, তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের নেতারা যদি মানুষ পুড়িয়ে মারে, তাদের নামে কি মামলা হবে না? খালেদা জিয়া কী চান, পুড়িয়ে মানুষ হত্যাকারী, দেশের সম্পদ বিনষ্টকারীদের ফুলের মালা গলায় দিয়ে হুজো করতে হবে? এটা কখনও হবে না। এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত সকলের বিচার করা হবে। কাউকেই রেহাই দেয়া হবে না। শনিবার বহুল আলোচিত পদ্মা সেতুর মূল নির্মাণ কাজ এবং নদী শাসনের কাজের উদ্বোধন শেষে বিকেলে লৌহজংয়ের উত্তর মেদিনীম-লের ঐতিহ্যবাহী খানবাড়ির বিশাল মাঠে মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াতকে সঙ্গে নিয়েছে। একাত্তরে তারা যা করেছে, এখনও জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে তারা তাই করছে। যারা ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার, জঙ্গীবাদ সৃষ্টি এবং এতিমের টাকা মেরে খায়, তারা দেশের কল্যাণ করবে কীভাবে? আসলে এরা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, মানুষের কল্যাণ চায় না বলেই ষড়যন্ত্র করতেই থাকবে, মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই থাকবে। তাই দেশবাসীর কাছে আমার আহ্বান, এদের রুখে দাঁড়ান।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মোঃ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য নূহ উল আলম লেনিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডাঃ দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা এমপি, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ এমপি, নসরুল হামিদ বিপু এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোঃ আওলাদ হোসেন, আলহাজ শেখ লুৎফর রহমান, লৌহজং উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গনি তালুকদার, রশিদ শিকদার প্রমুখ। এ সময় মঞ্চে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রীতিমতো গণজাগরণের সৃষ্টি হয় পুরো মুন্সীগঞ্জের মাওয়া, লৌহজং ও শরীয়তপুরের জাজিরায়। যেন এক অন্যরকম স্বপ্ন পূরণের আনন্দে মেতেছিল এ দুই জেলার মানুষ। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের সেøাগান সংবলিত হাজার হাজার ডিজিটাল ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড এবং শত শত তোরণের মাধ্যমে বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছিল মাওয়া থেকে মেদিনীম-ল এলাকা পর্যন্ত। নিñিদ্র নিরাপত্তার মধ্যেও তীব্র জনস্রোত সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে রীতিমতো বেগ পেতে হয়।

মেদিনীম-লের এ জনসভা বেলা একটা থেকে শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে সেখানে। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজার হাজার মিছিলের তোড়ে সেখানে রীতিমতো তীব্র জনস্রোতের সৃষ্টি হয়। মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং, টঙ্গীবাড়ি, শ্রীনগর, সিরাজদিখান, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর ছাড়াও ঢাকার কেরানীগঞ্জ, দোহার, নবাবগঞ্জ, মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সমাবেশস্থলে মানুষের ঢল নামে। বাদ্য বাজনা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নানা বয়সী মানুষ যোগ দেয় এই বিশাল জনসভায়। খানবাড়ির কাছে নতুন গোলচত্বর ভরে গিয়ে মহাসড়ক লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। তীব্র জনস্রোতে জনসভাটি এক পর্যায়ে রীতিমতো জনসমুদ্রে রূপ নেয়।

জনসভায় উপস্থিত লাখো মানুষের চোখেমুখে ছিল স্বপ্ন পূরণের আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার বহির্প্রকাশ। কেননা শনিবারই ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই জনসভা চলাকালে লাখো মানুষ মুহুমর্ূুহু সেøাগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতার বহির্প্রকাশ ঘটাতে এতটুকুও ভুল করেননি। অশীতিপর বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের অভিব্যক্তি ছিল অভিন্ন, তা হলো- ‘শেখের বেটি যা বলে, তা বাস্তবায়ন করেই ছাড়ে।’

প্রায় ৩০ মিনিটের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের উন্নয়ন কর্মকা-ের বিবরণ তুলে ধরার পাশাপাশি সম্প্রতি বক্তৃতা-বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগেরও জবাব দেন। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান ও সামরিক বিধিবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল জিয়াউর রহমান। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাতে জন্ম নেয়া বিএনপিও অবৈধ। এই জিয়াই ‘হ্যাঁ- না’ ভোটের নামে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল। আর খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল বলেই মাত্র দেড় মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে আন্দোলনের মাধ্যমে বিদায় করেছিল দেশের জনগণ। অথচ এখন তাদের মুখেই শুনতে হয় নির্বাচনের ভাল-মন্দ।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, অবৈধভাবে যারা ক্ষমতা হাতে নিয়েছিল, তাদের হাতে জন্ম নেয়া দলটির আবার বৈধতা কীসের? এই বিএনপিই জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন ঠেকানোর নামে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। ধর্মের নামে রাজনীতি করে আবার এরাই আন্দোলনের সময় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আগুন দিয়েছে, শত শত কোরান শরিফ পুড়িয়েছে। মসজিদ-মন্দির-গির্জা-প্যাগোডা কোন কিছুই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।

প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শুরু থেকে তিন মাস ধরে বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ের কথা তুলে ধরে বলেন, ৬৮ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় ৯৩ দিন ধরে নিজ কার্যালয়ে বসে বিএনপি নেত্রী সারাদেশে জ্বালাও-পোড়াও করিয়েছেন। বলেছিলেন, সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না। এই বলে জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা করিয়েছেন এই খালেদা জিয়া। ১৫৭ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন, যারা অগ্নিদদ্ধ হয়ে এখনও বেঁচে আছেন তারা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি নেত্রী নির্দেশ দিয়ে বাস-ট্রাক-রেলে আগুন দিয়েছেন, বিদ্যুত অফিস, সরকারী অফিসসহ ৫৮২ স্কুল পুড়িয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কেমন কর্মী তৈরি করেছেন যে তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে? এসব হত্যাকারীর বিরুদ্ধে কী মামলা হবে না? প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, এসব হত্যা-অগ্নিকা- যারা করেছে তাদের প্রত্যেকের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে, কেউ-ই রেহাই পাবে না।

পদ্মা সেতু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ হাত দিলে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন দেয়ার কথা বলে। কিন্তু হঠাৎ তারা মিথ্যা অজুহাতে অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেয়। তারা পদ্মা সেতুতে কথিত দুর্নীতির অভিযোগ তোলে। তখন আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছিলাম, আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। আমরা দুর্নীতি করতে ক্ষমতায় আসিনি, জনগণের কল্যাণ করতে এসেছি। দুর্নীতির কোন প্রমাণ থাকলে দিন। কিন্তু বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির কোন প্রমাণ দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেই নিজেদের অর্থায়নেই এ সেতু নির্মাণ করব। আমরা বীরের জাতি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। আওয়ামী লীগ যে কথা দেয় সে কথা রাখে। নিজেদের অর্থায়নেই পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাঙালী জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না। আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে চাই। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। আর বিএনপি ক্ষমতায় এলেই দেশ ধ্বংস হয়, দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের জেল থেকে মুক্তি দিয়ে পুনর্বাসন করেছিল জিয়াউর রহমান। পাকিস্তান থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে এনে প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী বানিয়েছিল। তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও একই কাজ করেছেন। আমরা জাতির কাছে ওয়াদা দিয়েছিলাম, ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করব। ক্ষমতায় এসে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি, বিচারের অনেক রায়ও কার্যকর হয়েছে। এ বিচার প্রক্রিয়া কোন শক্তিই রুখতে পারবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে আমরা জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করব।

প্রধানমন্ত্রী সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকা- তুলে ধরে বলেন, আজ হাতে হাতে মোবাইল ফোন কে এনে দিয়েছে? এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিলে জনসভায় থাকা লাখো জনতা একযোগে বলে ওঠেন- ‘আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ।’ এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেশকে ডিজিটাল করেছি, ডিজিটাল সেন্টার থেকে ২০০ রকমের সুবিধা পাচ্ছে জনগণ। আওয়ামী লীগ মানুষের জন্য কাজ করে। আমরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। এখন খাদ্যের জন্য বিশ্বের কারও কাছে আমাদের হাত পাততে হয় না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরে বলেন, তারা ক্ষমতায় থাকতে একজন দিনমজুর ২ কেজি চাল কিনতে পারত না। কিন্তু এখন ৭/৯ কেজি চালসহ অন্য পণ্য কিনতে পারে। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতা চায়নি, তারা উৎপাদন আর উন্নয়ন করবে কীভাবে? তারা ষড়যন্ত্র করতেই থাকবে। তাদের থেকে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, দাবি লাগবে না, আমরা জানি কোথায়- কী লাগবে। সেগুলো আমরা নিজেরাই করে দেব। আওয়ামী লীগ অন্তর দিয়ে এ দেশের মানুষকে ভালবাসে। সেই ভালবাসা থেকেই উন্নয়ন করা হবে। ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পালন করব ইনশাআল্লাহ।