২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যেন জনসমুদ্র চারদিকে মানুষ আর মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ চারদিকে শুধু মানুষ আর মানুষ। এ যেন জনসমুদ্র। গোটা এলাকা লোকে লোকারণ্য। কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। জনসভার পূর্বনির্ধারিত স্থান মাওয়া নতুন গোলচত্বর। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে মেদিনীম-লের খানবাড়ি মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ! এই মাঠ কেন, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের বেশ কয়েক কিলোমিটার লোকে লোকারণ্য। উপজেলার কোন রাস্তায়ও দাঁড়ানোর জায়গা নেই। একসঙ্গে এত মানুষ লৌহজংবাসী অতীতে কখনও দেখেননি। বেলা ৩টায় জনসভা শুরুর ঘোষণা থাকলেও সকাল ৯টা থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিলসহ লোকজন আসতে থাকে। হাতে নৌকা, মাথায় ক্যাপ, গায়ে দলীয় পরিচয়সহ গেঞ্জি, সুদৃশ্য ব্যানার, ফেস্টুনসহ লোকজন সে স্রোতের মতো আসতে থাকে জনসভাস্থল মেদিনীম-ল খানবাড়ি মাঠে। বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীদের আগমনে বেলা ১টার আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে যায়। মাঠে জায়গা না পেয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষ মাঠসংলগ্ন রাস্তায় অবস্থান নেন। যার ফলে সভাস্তল থেকে শুরু করে বাজার মাওয়া রাস্তা ছিল লোকে লোকারণ্য। চার পাশের উঁচু ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন গাছের ডালে বসে মানুষজনকে শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে দেখা গেছে। ঢাকা-মাওয়া রাস্তা যেন জনসভায় পরিণত হয়েছিল। ঢাকা থেকে এনে মাইক লাগানো হয়। ফলে উপজেলা শহরের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ নির্বিঘেœ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনতে পেরেছেন। এ সময় নেতাকর্মীরা সেøাগানে সেøাগানে শেখ হাসিনার বক্তব্যকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি সরকারের নানা উন্নয়ন আর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার দাবি করেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশে মেঘনা পারের গজারিয়া থেকে আগত ষাটোর্ধ রমিজ বলেন, জীবনে বহু সভা-সমাবেশ দেখেছি। অন্যদের জনসভাও দেখেছি। কিন্তু শেখ হাসিনার জনসভার মতো এত লোক কোন জনসভায় দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এবারের উপচে পড়া ভিড় দেখে আমরা অভিভূত।