২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ছেলেবেলা ও ছাত্রজীবন

  • আবুল মাল আবদুল মুহিত

ঢাকায় ছাত্রজীবনের আরও কথা

(১২ ডিসেম্বরের পর)

২১ জুনে হলো ৮০ সদস্যের নতুন গণপরিষদ। তাতে বিভিন্ন দলের ও এলাকার সদস্যদের হিসাব নি¤েœাক্ত ছকে দেয়া হলো :

দল পূর্ববাংলা পাঞ্জাব সিন্ধু সীমান্ত প্রদেশ বেলুচিস্তান করাচী ভাওয়ালপুর উপজাতি এলাকা অন্যান্য এলাকা মোট

মুসলিম লীগ ১ ১৫ ৪ ৪ ১ ২৫

যুক্তফ্রন্ট ১৬ ১৬

আওয়ামী লীগ ১২ ১২

কংগ্রেস ৪ ৪

তপশিলী সম্প্রদায় ৩ ৩

বিবিধ ৪ ৩ ১ ১ ২ ৫ ১৭

নূন গ্রুপ ৩ ৩

৪০ ২১ ৫ ৪ ১ ১ ২ ৫ ৮০

মুসলিম লীগ হলো একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তাদের সদস্য ছিলেন ২৫ জন। যুক্তফ্রন্ট, আওয়ামী লীগ, কংগ্রেস ও তপশিলী সম্প্রদায় হলো বিরোধী দল এবং তাদের সদস্য ছিলেন ৩৬ জন। লক্ষণীয় বিশেষত্ব ছিল যে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম লীগের একমাত্র একজন সদস্য পূর্ব বাংলা থেকে নির্বাচিত হন এবং পূর্ব বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ যুক্তফ্রন্ট আওয়ামী লীগের কোন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত ছিলেন না। পূর্ব বাংলার সদস্যদের মধ্যে মাত্র ২/৩ জন ছিলেন সরকার সমর্থক। এরকম বিভাজন একটি ফেডারেশনের জন্য মোটেই শুভ ছিল না। ৮ আগস্ট করাচীতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হলো আর ১১ তারিখেই মোহাম্মদ আলী বগুড়ার জায়গায় প্রধানমন্ত্রী হলেন পাঞ্জাবের চৌকস সরকারী কর্মচারী চৌধুরী মোহাম্মদ আলী (১৯০৫-১৯৮০)। মোহাম্মদ আলী চৌধুরী ১৯২৮ সালে ভারতীয় অডিট ও এ্যাকাউন্ট সার্ভিসে যোগদান করেন এবং ১৯৩৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে যোগ দেন। বাকি চাকরি জীবন তিনি দিল্লী ও করাচীর কেন্দ্রীয় সচিবালয়ে কাটান। তিনি ভারতের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অর্থমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের সঙ্গে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। পাকিস্তানে তিনি হন প্রথম প্রধান সচিব (সেক্রেটারি জেনারেল)। ১৯৫১ সালে খাজা নাজিমুদ্দিন যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন চৌধুরী মোহাম্মদ আলী হন অর্থমন্ত্রী। ১৯৫৫ সালের ১১ আগস্ট তিনি হন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই পদে বহাল থাকেন। তিনি অত্যন্ত দক্ষ কর্মকর্তা ছিলেন; কিন্তু তার প্রাদেশিকতা ছিল খুবই প্রবল।

সংযোজনী-২

১৯৫৪ সালের বন্যা ত্রাণ উদ্যোগে যারা আমার সহকর্মী স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন

১। ফজলে বারি মালিক

২। সিরাজ হোসেন খান

৩। মোজাম্মেল হোসেন (মামা নামে পরিচিত)

৪। এ কে এম আশরাফুল হক

৫। নুরুল হক

৬। আবু সাইয়িদ মাহমুদ

৭। আবুল কাশেম

৮। খোরশেদ আলম

৯। আমিনুল ইসলাম

১০। আবু আহমদ আবদুল মূহসি

১১। নাজিরুল আজিজ চিশতি

১২। খোদাদাদ খান

১৩। মুশতাক আহমদ

১৪। মোহাম্মদ আহসান

১৫। শহীদ শামসুজ জোহা

১৬। জহুরুল হক

১৭। আবদুল জলিল সরকার

১৮। লুৎফুর রহমান

১৯। মইনুদ্দিন আহমদ ২০। সারওয়ারুল হক

২১। সালেহউদ্দিন আহমদ

২২। আনসার আলী

২৩। মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ (ঝুনু)

২৪। ফরিদা বারি মালিক (বীথি)

২৫। খালেদা ফেন্সি খানম

২৬। রাশিদা রহমান

২৭। জহরত আরা (খুকী)

২৮। কাজী রওশন আরা

২৯। ফরিদা বেগম (পরে হক)

৩০। কামরুন নাহার লাইলি

৩১। পাবনার রোজি

৩২। প্রতিভা মুৎসুদ্দি

৩৩। নাদেরা বানু

৩৪। আনোয়ারা বেগম

৩৫। আমেনা বেগম

৩৬। আমেনা বেগম

৩৭। পিয়ারি বেগম