২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পৌর নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত

  • বিদ্রোহী আ’লীগ ৯২ ও বিএনপির ২১ বিদ্রোহীর মেয়র প্রার্থিতা প্রত্যাহার ॥ এখনও দুই বড় দলের শতাধিক বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাঠে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পৌর নির্বাচনে শুরু হলো ভোটের আসল লড়াই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে আজ থেকে প্রার্থীরা নেমে পড়ছেন চূড়ান্ত লড়াইয়ে। এদিকে শেষ দিনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সারাদেশে আওয়ামী লীগের ৯২ ও বিএনপির ২১ জন বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী আওয়ামী লীগের ৮৬ এবং বিএনপির ৩৩ জন বিদ্রোহী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের বিএনপির বিদ্রোহী রাঙ্গামটিতে বিএনপির একজন ও আওয়ামী লীগের দুজন মেয়র প্রার্থী, মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেরপুরের নালিতাবাড়ি ও নকলায় আওয়ামী লীগের ২ বিদ্রোহী প্রার্থী কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আওয়ামী লীগের ১ জন ও বিএনপির একজন এবং করিমগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে এসব উপজেলায় প্রার্থীর পাশাপাশি নিজ দলের প্রার্থীদের মোকাবেলা করতে হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের।

সংশ্লিষ্টদের মতে নির্বাচনে মেয়র পদে এখন প্রায় তিন শ’র মতো স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই হবে আওয়ামী লীগ বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে। রবিবার প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিত দু’দলের বেশিরভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থীই তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর পর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনেক পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছে গেছে। তবে নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে জোট হলেও অনেক পৌরসভায় বিএনপির-জামায়াতের আলাদা প্রার্থীও রয়ে গেছে। আজ পৌর নির্বাচনের প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে নির্বাচনের প্রচারে নেমে পড়বেন। যদি দলীয় প্রার্থীর প্রতীক নির্ধারিত রয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের আজ প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে জিততে আজ থেকে চূড়ান্ত ভোট যুদ্ধে নামছেন সব প্রার্থীই।

ইসি জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে ২৩৪ পৌরসভায় ৩৮৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। এদের মধ্যে আবার বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, প্রত্যাহারের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরাই মূলত তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর বাইরে অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোটের মাঠে লড়াই হবে মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে। এর কারণে নির্বাচনে যাদের বিদ্রোহী প্রার্থী বেশি রয়েছে ভোটারে ফলাফলে তাদের ওপর বেশি প্রভাব পড়বে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আওয়ামী ও বিএনপির একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও এখনো দু’দলের বিদ্রোহী সমস্যা রয়েছে।

এদিকে জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিএনপির একমাত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কারণে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জানা গেছে, বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ হোসেন লেমন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে শেষ দিনে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে আওয়ামী লীগের মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবির বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের দেয়া হিসাব অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে ২৩৪ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সংখ্যা ২৩১ জন ও বিএনপির বৈধ মেয়র প্রার্থীর ২২৪ জন। বলে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া রবিবার সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করায় নির্বাচনে তাদের প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৫ জনে। এ ছাড়া সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৮৫ জন। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোন রাজনৈতিক দলের বৈধ প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা থেকে সড়ে দাঁড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, শুধুমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা বিভিন্ন দলের বিদ্র্ােহী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তাড়াই মূলত প্রার্থী থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর বাইরে অন্য কোন স্বতন্ত্র প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর সংখ্যা হাতেগোনা।

এদিকে প্রধান দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ মোট ১৯ রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জানা গেছে, ২০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিলেও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ একটি মাত্র পৌরসভায় প্রার্থী দিলেও সে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ১৯টি দল।

এ ছাড়া নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী সংখ্যা ২ জন, জাতীয় পার্টি-জেপির ৬ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩১ জন, বিএনপির ২২৫ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৭ জন, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের ১ জন, জাতীয় পার্টির ৮৫ জন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের ১ জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ ছাড়া বিএনএফের ১ জন, জাসদের ২৪ জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের ১ জন, এনপিপির ১৬ জন, পিডিপির ১ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ২ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫৬ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ৩ জন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ১ জন, খেলাফত মজলিশ ৫ জন প্রার্থী বৈধ হয়েছেন। এ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৩৮৫ জনের বৈধ তালিকা নির্বাচন কমিশন থেকে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার জানান, এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আবার অর্ধেকই রয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী। যারা দলের মনোনয়নপত্র না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে জমা দেন। প্রত্যাহারের শেষ দিনে মূলত এসব বিদ্রোহীরা তাদের প্রতাহার করে নিয়েছে। এর পর একাধিক পৌরসভায় এ দু’দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে গেছে। অবশ্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে যারা দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তাদের দল থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী গত ৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত মেয়র পদে ১ হাজার ২১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৩৮ জন, বিএনপির ২৩৩ জন এবং জাতীয় পার্টির ৯১ জন মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ২ জন, জাতীয় পার্টির (জেপি) ৬ জন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ৯ জন, বিকল্পধারার ১, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ২৬, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ১ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের ৩ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৬১, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ৪ জন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১ জন ও খেলাফত মজলিশের ৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ ছাড়া দলের বাইরে স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৫০৩ জন। এদের যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগের ৭ জন মেয়র প্রার্থী, বিএনপির ৯ জন, জাতীয় পার্টির ৬ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ১৫৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এ ছাড়া বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ২ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের ২ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৩ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের ১, ইসলামী ঐক্যজোটের ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ১ জন এবং খেলাফত মজলিশের ২ জন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১৩ হাজার ৬২৬ জনপ্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করে। এদের মধ্যে বাতিল হয়েছে ৮৯৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। মোট বৈধ কাউন্সিলর প্রার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৭২৮ জন। এর মধ্যে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৫১৩ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯ হাজার ১৫৯ জন প্রার্থী বৈধ হয়েছেন। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে অনেক কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব) জাবেদ আলী রবিবার সাংবাদিকদের জানান, দলের মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বাধ্য করার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত্র করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, কমিশনের কাছে সকল দলের প্রার্থী একই রকম। যদি কোন প্রার্থী কোন অসুবিধা সম্মুখীন হন, তা যদি ইসির নজরে আনা হয় তা দূর করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে প্রার্থীকে লিখিত আবেদন জানাতে হবে উল্লেখ করেন।

জাবেদ আলী বলেন, আজকে থেকে নির্বাচনী মাঠে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকছে। আমরা আশা করব- প্রার্থী, তাদের কর্মীরা ও রাজনৈতিক দল কেউ যেন আচরণবিধি ভঙ্গ না করেন। তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ সহজ হবে।

জনকণ্ঠের সংশ্লিষ্ট জেলার সাংবাদিক জানান, চাঁদপুরে ৫ পৌরসভায় ৪ মেয়র প্রার্থী ৩২ কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যার করে নিয়েছেন।

কুমিল্লা থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, শেষ দিনে জেলার ৬ পৌরসভায় ৫ মেয়র প্রার্থী ২৭ জন কাউন্সিলর ও ২ জনসংরক্ষিত কাউন্সিলর তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। দিনাজপুরের ৫ পৌরসভায় ৪ জন মেয়র প্রার্থী, ১৪ জন কাউন্সিলর ও ১ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বরিশালে ৬ পৌরসভার মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী ৫ মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৬ জন প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শেষ দিনে।

নীলফামারী ২ পৌরসভায় ১ মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর ৮ জন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ২ জন মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নওগাঁয় ১ জন মেয়র ৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভোলায় ৩ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ ২ জন মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রাজবাড়ীর তিন পৌরসভায় ৩ মেয়র ও ১৬ কাউন্সিলর তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তিন মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আওয়ামী লীগের ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মাগুরায় ৭ কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কুড়িগ্রামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। শেরপুরে একটি পৌর সভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছে। দুটিতে এখনও রয়ে গেছে। ভোলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ ২ মেয়র প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নাটোরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৪ জন মেয়র ও ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নড়াইলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুই মেয়র প্রার্থী ৪ কাউন্সিল তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গাইবান্ধায় ৫ মেয়রসহ ১ কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জে ৬ কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রাঙ্গামাটিতে ৭ কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। যশোরে ৩ মেয়র প্রার্থী ও ২৯ কাউন্সিলর তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। টাঙ্গাইলে চার মেয়র প্রার্থী শেষ দিনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নরসিংদীতে শেষ দিনে ২ মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জয়পুরহাটে শেষ দিনে ৫ জন মেয়র ও ৮ জন কাউন্সিলর তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

চট্টগ্রাম অফিস জানিয়েছে, শেষ দিনে আওয়ামী লীগের ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে ১০ পৌরসভায় ৮টিতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী রয়ে গেছে। এ ছাড়া কলাপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতার পুত্রসহ ২ মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সিলেটের কানাইঘাট পৌরসবায় ১ মেয়র ২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

নির্বাচিত সংবাদ