২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্বাচনে নাশকতার আশঙ্কা ॥ টাঙ্গাইলে বিশেষ অভিযান

ইফতেখারুল অনুপম, টাঙ্গাইল ॥ পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান। তফসিল অনুযায়ী জেলার ৮টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যেসব পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেসব পৌরসভায় ও আশপাশের উপজেলা এবং এলাকায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, তালিকাভুক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসী-দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার ও জঙ্গীবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। নির্বাচন উপলক্ষে সহিংস সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য চালানোর আশঙ্কা করছে গোয়েন্দা সংস্থা। এ জন্য বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন ও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীকে পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিতে বা নির্বাচনে অংশ নিতে দিতে পারছে না। এ দলটি নির্বাচনে অংশ না নিতে পারলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিশ দলীয় জোটে থাকায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচার, ভোট প্রদান, অংশ নেয়ার সুযোগ নিয়ে নাশকতা ও নৈরাজ্য চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। জামায়াতে ইসলামী দলের যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার ঘটনায় বর্তমান সরকারের ওপর দারুণ ক্ষুব্ধ থাকার কারণে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা প্রকাশ্যে তৎপরতা চালানোর সুযোগ নিয়ে নাশকতা ও নৈরাজ্য চালাতে পারে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও রায়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংস সন্ত্রাসের তা-বলীলা চালানোর ঘটনা এবং এখন আবার পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণার প্রতিশোধ নেয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা। সূত্র জানায়, তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৩ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরপরই সন্ত্রাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে বেশি। এ জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে পৌরসভা নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বেআইনী অস্ত্র উদ্ধার, চিহ্নিত চাঁদাবাজ, মাস্তান ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের নির্দেশ রয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে অস্ত্র উদ্ধার, জামায়াত-শিবির, জঙ্গীগোষ্ঠী, পেশাদার সন্ত্রাসী, অপরাধী, দুর্বৃত্ত, মাস্তান, চাঁদাবাজরা রাজনৈতিক দলের ব্যানারে এসে প্রকাশ্যে আসার সুযোগ নিয়ে সহিংস সন্ত্রাস চালাতে পারে। এ জন্য জেলায় দ্রুত বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে।