১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বিরামহীন প্রচার

সালাম মশরুর সিলেট অফিস ॥ বিভিন্ন দিক থেকে উন্নত একটি এলাকা গোলাপগঞ্জ। কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের অবস্থান রয়েছে পৌর এলাকায়। গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার মধ্য দিয়ে সিলেট শহরের সঙ্গে ৩টি উপজেলার যোগাযোগ। সিলেট সদর উপজেলার কাছাকাছি গোলাপগঞ্জ উপজেলা। গোলাপগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনী হাওয়া সিলেট শহরে এসেও দোলা দিচ্ছে। সর্বত্র চলছে প্রচারাভিযান। শুধু গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, সিলেট শহর-শহরতলিতেও চলছে সমানতালে প্রচার। ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরিসহ নানা কারণে বাসা-বাড়ি নিয়ে অনেক ভোটারের অবস্থান রয়েছে সিলেট শহরে। তাই এখানেও চলছে ভোট ও পছন্দের প্রার্থী নিয়ে আলাপ-আলোচনা। চলছে ভোট নিয়ে বিশ্লেষণ। পৌর এলাকা এখন উৎসবমুখর। গোলাপগঞ্জে পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ আসনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটারের মন জয় করে সমর্থন আদায়ে প্রার্থীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে শহরের অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন। মেয়র পদে ৭, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৩ ও সংরক্ষিত আসনে ১০ জনসহ মোট ৬০ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে মাঠ উত্তপ্ত করে রেখেছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাকারিয়া আহমদ পাপলু, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহীন, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাপা প্রার্থী সুহেদ আহমদ, ঘড়ি প্রতীক নিয়ে খেলাফত মজলিশ প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন, মোবাইল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল জব্বার চৌঃ, জগ প্রতীক নিয়ে আমিনুল ইসলাম রাবেল, নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে আমিনুল ইসলাম লিপন মেয়র পদে লড়ছেন। মোবাইল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল জব্বার চৌধুরী আওয়ামী লীগের উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। দলের নির্দেশ অমান্য করে প্রার্থিতা বহাল রেখেছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহীন বিগত পৌরসভার দুটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বর্তমান পৌর চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মেয়রপ্রার্থী পাপলুর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে পরাজিত হয়েছেন। পৌরসভাকে আরও উন্নত ও আধুনিকতায় সাজানো, পৌরবাসীর সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে নিজেদের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রাণান্ত চেষ্টা চলছে।