২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পৌর নির্বাচনে মুখোমুখি আওয়ামী লীগ বিএনপি

  • নৌকা-ধানের শীষের লড়াইয়ে তৃণমূল রাজনীতি জমজমাট ;###;প্রধান বাধা বিদ্রোহী প্রার্থী

উত্তম চক্রবর্তী ॥ দেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুই এখন আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন। ৭ বছর পর ফের মর্যাদার লড়াইয়ে মুখোমুখি দেশের দুই বৃহৎ দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। নৌকা-ধানের শীষের লড়াইয়ে জমজমাট তৃণমূলের রাজনীতি। ২৩৪ পৌরসভার অলিতে-গলিতে দিনরাত চলছে নির্বাচনী প্রচার। প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিতে ভাসছেন ভোটাররা। জনপ্রিয়তা পরিমাপের এ নির্বাচনে উভয় দলে চলছে বাকযুদ্ধ, একে অপরকে ঘায়েলে উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাহাস। সাত বছরের উন্নয়ন-সাফল্যে আর বিএনপি-জামায়াত জোটের ভয়াল নাশকতা ও জঙ্গীবাদী তৎপরতা ভোটারদের সামনে তুলে ধরেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায় শাসক দল আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে অস্তিত্ব সঙ্কটে থাকা বিএনপি এই নির্বাচন দিয়েই তৃণমূলে নেতাকর্মীদের ভেঙ্গেপড়া মনোবল চাঙ্গা আর আন্দোলনের একটি জোরদার ইস্যু সৃষ্টির চেষ্টায় মরিয়া।

প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে পৌর নির্বাচন অনেকটা রূপ নিয়েছে জাতীয় নির্বাচনে। প্রার্থীর চেয়ে প্রতীকই হয়ে উঠেছে মুখ্য। তাই দুই দলের লড়াইয়ে মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে দলীয় প্রতীক। তৃণমূলের সুবিধা-অসুবিধা নয়, জাতীয় রাজনীতি ও দলীয় সাফল্য-ব্যর্থতা ভোটারদের সামনে তুলে ধরে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করছে দুই বড় দলই। অনেক পৌরসভায় দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হলেও প্রতীককে পুঁজি করে জয়ের স্বপ্ন দেখছে দলগুলোর হাইকমান্ড।

জাতীয় নির্বাচনে নৌকা-ধানের শীষে ভোটের স্বাদ এবার পৌর নির্বাচনেই মেটানোর চেষ্টা করছে ভোটাররা। তবে উভয় দলেরই বিজয়ের পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থিতা। বৃহৎ এ দুই দলেরই দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা নিজ দলেরই বিদ্রোহীদের দমনে গলদঘর্ম অবস্থা। এছাড়া তৃণমূলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, দ্বন্দ্ব আর গ্রুপিং কেন্দ্র করে মর্যাদার এ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জিতবে, আর কে হারবে; এ নিয়ে পুরো রাজনৈতিক অঙ্গনেই চলছে জোর হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, এই পৌর নির্বাচনই আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে। জিতলে জনগণের বিজয়, আর হারলে কারচুপি- এ দুটি ইস্যু নিয়েই সরকারের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নামার চেষ্টা করবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে প্রাক-জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে কোমর বেঁধেই মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। প্রাক-নির্বাচনী কৌশল নিয়ে দু’পক্ষই রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য রাজনৈতিক দলও। একমাত্র নিবন্ধন হারানো যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত ছাড়া ক্রিয়াশীল প্রায় সকল দলই নিজ নিজ মার্কা নিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে মাঠে নেমেছে। দলগতভাবে নির্বাচন করতে না পেরে কয়েক জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তবে দু’দলের এই মুখোমুখি অবস্থানে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে চ্যালেঞ্জর মুখোমুখিও নির্বাচন কমিশন।

এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় বড় বড় রাজনৈতিক দল আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবেই নিয়েছে। অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়া বিএনপি চাইছে পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের ভেঙ্গে যাওয়া মনোবলকে চাঙ্গা করে তুলে ঘুরে দাঁড়াতে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের টার্গেট- নৌকার পালে জোয়ার তুলে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির ফের ভরাডুবি ঘটিয়ে রাজনৈতিকভাবে তাদের খাদের কিনারে নিয়ে যেতে। এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়ে দু’দলই নানা কৌশল নিয়ে এখন তৃণমূলে নির্বাচনী প্রচারে মহাব্যস্ত।

নির্বাচন সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নেতারাও বসে নেই। প্রতিদিনই প্রেসব্রিফিং, সাংবাদিক সম্মেলন কিংবা সভা-সমাবেশের মাধ্যমে একে অপরকে ঘায়েল করতে তুলছে বিস্তর অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ। দু’পক্ষই ছুটছে নির্বাচন কমিশনে, একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে। বিএনপি শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই অভিযোগ করছে, সরকারী দল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের প্রার্থীদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে, নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের তরফে এসব অভিযোগ খ-ন করে পাল্টা অভিযোগ করছে যে, নির্বাচনে ভরাডুবি নিশ্চিত জেনেই বিএনপি মিথ্যাচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। আসলে নির্বাচন নয়, বিএনপির প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে এ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি ইস্যু সৃষ্টি করে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা। অন্যান্য দলের নেতারা এ দুই দলের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবারও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ভয়াবহ নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। নিশ্চিত পরাজয়ের গ্লানি থেকে মুক্তি পেতেই সরকার পেশীশক্তি প্রদর্শনে নেমেছে। বারবার নির্বাচন কমিশনকে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলেও বরাবরের মতোই কমিশন নির্বিকার।

এসব অভিযোগ নাকচ করে মঙ্গলবার বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা নানা অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। সাংবাদিক সম্মেলনে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ অভিযোগ করে বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নিজের মনে সান্ত¡না খোঁজার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে কিছু অর্জন করা যায় কিনা, সে চেষ্টাই করছেন খালেদা জিয়াসহ বিএনপির নেতারা। নির্বাচন নয়, মিথ্যা রটনার মাধ্যমে একটি ইস্যু খোঁজার চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু জনগণ যেভাবে তাদের আন্দোলনকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। ঠিক সেভাবেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির পরাজয় নিশ্চিত করেই তাদের সকল ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করে দেবে দেশের জনগণ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত প্রায় ২০ রাজনৈতিক দল পৌর নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হলেও ১৫০ পৌরসভাতেই নৌকা-ধানের শীষের দ্বিমুখী লড়াই হবে। নৌকা-ধানের শীষের লড়াইয়ের পাশাপাশি লাঙ্গল, মশাল, কাস্তে, হাতুড়ি, হাতপাখা, দেয়ালঘড়ি আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চামচ, মগ, মোবাইল ফোন, নারিকেল গাছ ইত্যাদি প্রতীক শোভা পাচ্ছে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে। পৌষের হিমেল হাওয়ায়, আবার কোথাও কনকনে শীত উপেক্ষা করেই চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন আবালবৃদ্ধবনিতারা।

সারাদেশ থেকে পাঠানো জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাগণের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বেশিরভাগ পৌরসভাতেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে। সংখ্যা অনুযায়ী তা ১৫০ পৌরসভা পেরিয়ে যাবে। অন্তত ৫০ পৌরসভায় বড় দুই দলের প্রতীকের সঙ্গে লাঙ্গল ও বিদ্রোহী প্রার্থীর ত্রিমুখী লড়াই হবে। এছাড়া ২৫ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে তাদের দলের বিদ্রোহী প্রার্থী, স্বতন্ত্র (জামায়াতসহ) প্রার্থীর মধ্যে হবে চতুর্মুখী লড়াই। তিন পার্বত্য জেলায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাশাপাশি জেএসএস প্রার্থীর লড়াই হতে পারে। এছাড়া কয়েকটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মূল প্রার্থীর সঙ্গে দুই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম দলীয়ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। জাতীয় নির্বাচনের আগে সারাদেশে ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে এই রাজনৈতিক লড়াইকে কোনভাবেই হাল্কাভাবে নিচ্ছে না দলটির হাইকমান্ড। বরং জাতীয় নির্বাচনের মতোই পৌরসভা নির্বাচনেও দলের ‘মহাবিজয়’ আনতে নানা পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছে শাসক দলটি। আওয়ামী লীগের লক্ষ্য, জাতীয় নির্বাচনের মতো পৌরসভা নির্বাচনেও বিএনপিকে জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার দিয়ে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে নিজেদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে। একই সঙ্গে উপমহাদেশের প্রাচীন দল হিসেবে আওয়ামী লীগ অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখনও দেশের জনগণের কাছে যে অধিক জনপ্রিয়, ভোটের ফলের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে তা তুলে ধরতে।

এসব পরিকল্পনা থেকেই ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনিটরিং সেল গঠনের মাধ্যমে সারাদেশের পৌর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা। শুধু দলীয় সাংগঠনিক শক্তিই নয়, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-বিএনপির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকেই ঐক্যবদ্ধ করে দলীয় বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ কিছুটা বেকায়দায় থাকলেও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দলটির মন্ত্রী-এমপিসহ সিনিয়র নেতারা স্ব স্ব এলাকায় সর্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে দলীয় প্রার্থীর বিজয়ে মূল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সাত বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত প্রায় দুই শ’ পৌরসভাতেই মেয়র পদে বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।

অন্যদিকে, এই পৌর নির্বাচনকে অস্তিত্ব সঙ্কট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে বিএনপি। বছরের শুরুতে তিন মাসব্যাপী হরতাল-অবরোধের নামে দেশব্যাপী ভয়াল নাশকতা, প্রায় দুই শতাধিক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার পরও আন্দোলনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে কার্যত রাজনৈতিক অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়তে হয় দলটিকে। পরবর্র্তী ৯টি মাস রাজপথে সামান্য কিছু কর্মসূচী নিয়েও মাঠে দাঁড়াতে পারেনি দলটির নেতাকর্মীরা। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইস্যুতে বর্তমানে খাদের কিনারে বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী। চরম দুঃসময়ে বিএনপি ন্যূনতম পাশে না দাঁড়ানোই জামায়াতে ইসলামী এবার কয়েকটি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলেও ভেতরে ভেতরে বিএনপির প্রার্থীর বিজয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, অতীতের স্থানীয় নির্বাচনের মতোই পৌর নির্বাচনেও এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চায় বিএনপি। আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়ার পর নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার জন্যই এ নির্বাচনকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে তারা। এখনও সারাদেশে দলটির নেতাকর্মীরা কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। সাংগঠনিক চরম দুর্বলতার কারণে বেশিরভাগ পৌরসভাতে দলটির মেয়র প্রার্থীরা পরাজিত হতে পারে। এটি নিশ্চিত ধরে নিয়েই বিএনপির হাইকমান্ড চাইছে, নির্বাচনে পরাজিত হলে এটিকে ইস্যু করে পুনরায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে নামার। এ কারণে জয়-পরাজয়ের চেয়ে রাজনৈতিক ইস্যু সৃষ্টিতেই মরিয়া বিএনপি। ফলে এই পৌর নির্বাচনই আগামী দিনের রাজনৈতিক টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও।