২৩ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকসংখ্যা প্রায় সোয়া ৩ কোটি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে বা অতিদ্রুত শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্রই টাকা পাঠানোর সুযোগ তৈরি হওয়ায় মোবাইল ব্যাংকিং জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং কেবল টাকা আদান-প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং অনেক নতুন নতুন সেবা যুক্ত হয়েছে এতে। প্রতিমাসেই বাড়ছে বিভিন্ন সেবা বিল দেয়ার পরিমাণ। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণ। নবেম্বরে গড়ে লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা। লেনদেন বাড়লেও গত কয়েক মাস ধরে চালু (অ্যাকটিভ) অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কমছিল। সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে নবেম্বরে সচল অ্যাকাউন্ট বেড়ে এক কোটি ২৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকসংখ্যা সোয়া ৩ কোটি ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ কখ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন দেখা যায়, নবেম্বর শেষে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে গ্রাহক সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ ২ হাজার। যেখানে ১ মাসের ব্যবধানে অর্থাৎ অক্টোবর মাসের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে। অক্টোবর শেষে গ্রাহক ছিল ৩ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার। অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৯৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। যা আগের মাসে ছিল ৪৩৪ কোটি টাকার ওপরে। এখানে ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি লেনদেন হয়েছে। আবার গ্রাহকের পাশাপাশি বেড়েছে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিনিধি বা এজেন্ট। অক্টোবরের চেয়ে নভেম্বরে এজেন্টের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৫ লাখ ৫২ হাজার ৬৫২ জনে। আগের মাসে যা ছিল ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৮১৩। হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গ্রাহক বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে অ্যাকটিভ (সক্রিয়) একাউন্টের সংখ্যা। নভেম্বরে সচল একাউন্টের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৪৭ হাজার। আগের মাসে ছিল ১ কোটি ২০ লাখ ৫৭ হাজার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত নভেম্বর মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪ হাজার ৯১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছ। যা অক্টোবরে ছিল ১৩ হাজার ৪১ কোটি ২২ লাখ লাখ টাকা। সে হিসাবে মাসিক লেনদেন কমেছে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

নির্বাচিত সংবাদ