২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

টয়লেট মিউজিয়াম!

জাপানে চালু হয়েছে টয়লেট মিউজিয়াম। একেবারে আদিকালের বাথরুম থেকে হালের সব রকমের বাথরুম আছে এই মিউজিয়ামে। চালু হওয়ার পর গত তিন মাসে দেশ-বিদেশ থেকে কম করে হলেও তিরিশ হাজার দর্শক এসে ঘুরে গেছেন এই টয়লেট মিউজিয়াম। কিন্তু এটি কি সত্যিই টয়লেট মিউজিয়াম নাকি কোন বিলাসবহুল শোবার ঘর? যাতে গা গরম করে নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে গরম জলে ম্যাসেজ করানোর ব্যবস্থাও। আছে এয়ার কন্ডিশনার। জলের তাপমাত্রা ও চাপ বাড়ানো-কমানোর ব্যবস্থা। রয়েছে এয়ার ড্রায়ার। আছে সুবাস ছড়ানোর জন্য ‘পাওয়ার ডিওডোরাইজার’। সুন্দর, সুরেলা মিউজিক ‘ওতোহিমে’ শোনার ব্যবস্থাও রয়েছে সেখানে; এমনকি অটোমেটিক সেন্সরও। বাথরুমে ঢুকলেই আপনাআপনি খুলে যাবে ঢাকনা। ভরে যাবে ব্যাকটিরিয়া বিনাশী জলের ফোয়ারায়। জ্বলে উঠবে ঝকঝকে আলো। এটাই সর্বাধুনিক জাপানী প্রযুক্তির টয়লেট; যার নাম টোটো। সর্বাধুনিক টয়লেট বানিয়েছে ‘টোটো’ নামে এক সংস্থা। এ সংস্থাটি এরই মধ্যে এমন চার কোটি টয়লেট বানিয়ে বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছে।

পুরুষ নিষিদ্ধ!

বিশ্বের বহু জায়গা কিংবা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে নারীর প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিন্তু পৃথিবীতে এমন এক জায়গা আছে যেখানে পুরুষরা নিষিদ্ধ! বিষয়টি আজব মনে হলেও গুজব নয়। পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার উমোজা তেমন একটি গ্রাম, যেখানে শুধু নারীদেরই বসবাস। অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার নারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গ্রামটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে নারীরা একে অপরের দেখভাল করে থাকেন। উমোজা কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় সামবুরু অঞ্চলে অবস্থিত। এ সম্প্রদায়ের প্রধান রেবেক্কা ললোসলি। তবে উমোজায় পুরুষদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই; তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি নেই। ১৯৯০ সালে ১৫ নারী মিলে গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন। যাদের সবাই ব্রিটিশ সৈন্য দ্বারা ধর্ষণের পর বেঁচে যান।

এই মাত্রা পাওয়া