১৭ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আনন্দ উচ্ছ্বাসে শুরু জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব

আনন্দ উচ্ছ্বাসে শুরু জাতীয় শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব
  • সংস্কৃতি সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মিলনায়তনজুড়ে বিচরণ করছে একঝাঁক শিশু-কিশোর। সোনামণিদের চঞ্চল প্রাণে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। তাদের কলরব তোলা সরবতায় ভেঙে যাচ্ছে বাকি সব নীরবতা। এর মাঝে সবগুলো কচিকণ্ঠ এক সুরে ধরেছে সেøাগানÑ আমরা কারা, শান্তির পায়রা; খেলাঘর চায় কী, শিক্ষা শান্তি। হৃদয় আপ্লুত করা এমন দৃশ্যকল্পের উপলক্ষ ছিল কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর আয়োজিত জাতীয় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক উৎসব। বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের সূচনা হয় শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে। পৌষের বিকেলে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাস্নাত শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘরের এ উৎসবের উদ্বোধন হয়।

আয়োজনের শুরুতেই ছিল খেলাঘরের শিল্পীদের মনোজ্ঞ গীতিনৃত্যালেখ্য পরিবেশনা। ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’ গানের সুরে পরিবেশিত হয় নাচ। এরপর শোনা যায় ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতার উদ্দীপ্ত আবৃত্তি। কবিতার শিল্পিত উচ্চারণ শেষে নাচের আশ্রয়ে নৃত্যশিল্পীরা ফুটিয়ে তোলেন স্বাধীনতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবি। দেশাত্মবোধক গানের সুরে মুদ্রা ও অভিব্যক্তির মাধ্যমে নৃত্যশিল্পীরা অভ্যাগতদের স্মরণ করিয়ে দেন একাত্তরের উত্তাল সেই দিনগুলোর কথা। নাচের মাঝেই উড়ে যায় বাঙালীর বিজয়ের স্মারক লাল-সবুজের পতাকা। সুরের আশ্রয়ে এ সময় গীত হয় বেদনামধুর সেই গান ‘দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা’।

গীতিনৃত্যালেখ্যর পর মঞ্চে আসেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলপ্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিম-লীর চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা পান্না কায়সার, সভাপতিম-লীর সদস্য অধ্যাপক ড. নিরঞ্জন অধিকারী, পলি খালেদ ও প্রবীর সাহা। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফারাহ পলাশ। আলোচনা পর্বের আগে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেয় খেলাঘরের শিশুশিল্পীরা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এ সংগঠন দীর্ঘদিন কাজ করছে, এটা অনেক বড় প্রাপ্তি।

খেলাঘরের শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে আরেফিন সিদ্দিক বলেন, তোমরা জন্মগ্রহণ করেই স্বাধীন দেশের বুকে নিঃশ্বাস নিয়েছ। আমরা জন্মেই পরাধীনতা বুকে পাকিস্তানের মাটিতে নিঃশ্বাস নিয়েছি। তোমরা আজীবন স্বাধীনতার পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করে যাবে।

উদ্বোধনের পর ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। নাচ-গান-আবৃত্তিসহ সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মাতিয়ে তোলে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, খেলাঘর গাজীপুর জেলা কমিটি, খেলাঘর কাউখালী আঞ্চলিক কমিটির শিল্পীরা।

দেশব্যাপী সাড়ে ছয় শতাধিকেরও বেশি খেলাঘরের শাখা আছে। এসব শাখার সম্মিলিত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। সারাদেশের ৫৬টি জেলা থেকে আগত শিশু-কিশোররা এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি জেলার থেকে বাছাইকৃত একজন প্রতিযোগী উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। প্রতিযোগীরা ছড়া গান, দেশের গান, লোকসঙ্গীত, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি ও আবৃত্তি প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিযোগিতা করবে। এছাড়াও এ উৎসবে থাকছে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারাদেশের খেলাঘরের শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। উৎসবের শেষ দিন শনিবার বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কারজয়ী প্রতিযোগীদের প্রদান প্রদান করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

শিশু একাডেমিতে হাতেখড়ি উৎসব ॥ হিন্দুশাস্ত্র মতে, বিদ্যার দেবী স্বরসতী। যার পূজার দিনে কলাপাতার ওপরে খড়ি দিয়ে প্রথমবারের মতো লেখা শেখে বাচ্চারা। সেই রীতিটাই পরবর্তীতে ধর্মের রেখা পেরিয়ে হয়ে ওঠে সার্বজনীন। তবে সময়ের প্রবাহমানতায় তা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই ঐতিহ্য বৃহস্পতিবার দেখা গেল শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে। শিশুরা ভয়ে ভয়ে মঞ্চে এলেন। কলাপাতার ওপরে অতিথিরা বাচ্চাদের হাতে হাত রেখে লিখলেন ‘অ’ ‘আ’ ‘ক’ ‘খ’। এরই মধ্যে শিল্পী খায়রুল ওয়াসি কি-বোর্ডে সুর তুলে গাইতে শুরু করলেন গান ‘অ আ ক খ বর্ণমালা সবার প্রিয় বর্ণমালা’।

‘হাতেখড়ি অনুষ্ঠান’ নামের এ আয়োজনটি করে বাংলা ভাষা শিক্ষক পর্ষদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। অধ্যাপক ড. আয়েশা খানমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেনÑ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক শিল্পী গুপু ত্রিবেদী, হাতেখড়ি অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ফারজানা পারভীন প্রমুখ।

সেলিনা হোসেন বলেন, হাতেখড়ি হলো শিক্ষার প্রথম শর্ত। আজকে যে সকল শিশুরা হাতেখড়ি নিল তারা ফুল হয়ে ফুটবে, সৌরভ ছড়াবে। এমননি সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশুদের চিন্তার বিকাশ ঘটুক। তাদের জীবন সার্থক ও সফল হোক।

আলোচনা পর্ব শেষে ছিল সাংস্কতিক অনুষ্ঠান। এতে নাটক পরিবেশন, কবিতা আবৃত্তি, ছড়া ও গান গেয়ে শোনান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মারুফ-শারমীন মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা। ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ’ গানটি গেয়ে শোনান শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ।

ছায়ানটে কথক নৃত্য উৎসব ॥ বৃহস্পতিবার থেকে ধানম-ির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে শুরু হলো তিন দিনের কত্থক নৃত্য উৎসব। চতুর্থবারের মতো এ উৎসবের আয়োজন করেছে কথক নৃত্য সম্প্রদায়। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের নয় জেলা থেকে ১৩৫ জন কত্থকশিল্পী এতে অংশ নিচ্ছেন।

পৌষের উৎসবের সূচনা হয়।

মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। উৎসব উদ্বোধন করেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। আলোচনা পর্বের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কথক নৃত্য সম্প্রদায়ের কর্ণধার নৃত্যশিল্পী সাজু আহমেদ। উদ্বোধনী আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী লায়লা হাসান, সাংবাদিক মুন্নী সাহা ও নৃত্যশিল্পী আনিসুল ইসলাম হিরু।

লায়লা হাসান বলেন, আমরা নাচের মাধ্যমে প্রতিবাদ ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করি। নাচের ভাষা বিশ্বজনীন। আমাদের দেশে এখনও নাচের মূল্যায়ন নেই। নাচের ক্ষেত্রে সরকারী-বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতারও অভাব রয়েছে।

সেলিনা হোসেন বলেন, আমি নৃত্যের লোক না হলেও শিল্পের লোক। নৃত্য একটি আদিম শিল্প। নৃত্যশিল্পীরা নাচের মাধ্যমে প্রজš§কে গড়ছেন। নাচের পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্র ও সমাজের উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী লুবনা মরিয়মকে দেয়া হয়েছে জীনাত জাহান স্মৃতি সম্মাননা পদক। লুবনা মরিয়ম দেশের বাইরে থাকায় তার পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করে তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান সাধনার শিক্ষার্থী শাম্মী।

পরিবেশনা পর্বে নাচের শুরুতে ছিল ‘বন্দনা এবং ছন্দমালিকা’। সাজু আহমেদের পরিচালনায় নাচটিতে অংশ নেন সাজু আহমেদ, পাপ্পু সাহা ও অতন্দ্র বিশ্বাস। সাজু আহমেদের পরিচালনায় দ্বিতীয় নাচ ‘ছন্দ কুঁড়ি’ পরিবেশন করে উৎসবের সর্বকনিষ্ঠ নৃত্যশিল্পী সারা অর্পিতা। এছাড়াও নাচে অংশ নেন সুপর্ণা, অরুশা. ঐশী, ইমন কুমার দে, আইনানী অর্পিতা, পাপ্পু সাহা, তাসমিয়া, পুনম, মিথিলা, ফাইজা, ফারজানা প্রমুখ।

আজ শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় বসবে কত্থক নাচের এ আসর। এর আগে সকালে থাকবে তিন প্রজন্মের নৃত্যশিল্পীদের নিয়ে একটি আলোচনা। এতে অংশ নেবেন দেশের প্রথিতযশা নৃত্যশিল্পীরা।

জন্মদিনে সৈয়দ শামসুল হককে সংবর্ধনা ॥ কবি-সব্যসাচী সৈয়দ শামসুল হকের ৮০তম জন্মবার্ষিকী আগামী রবিবার। বাংলার মাটি ও মানুষের কথা বলা এই কীর্তিমান কবি ও কথাশিল্পীর জন্মদিন উদ্্যাপন করবে জাতীয় কবিতা পরিষদ। দেয়া হবে তাকে সংবর্ধনা। জাতীয় জাদুঘরের সহযোগিতায় আজ শুক্রবার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল চারটায় জাদুঘর চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে আয়োজনটি।

সঞ্জীব চৌধুরী স্মরণে এ্যালবামের প্রকাশনা ॥ আজ শুক্রবার প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরীর জন্মদিন। তাকে উৎসর্গ করে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হলো গানের দল বাপ্পা মজুমদার এ্যান্ড ফ্রেন্ডসের প্রথম স্টুডিও এ্যালবাম ‘বেনানন্দ’।

বেইলি রোডের ক্যাফ থার্টি থ্রিতে এ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করেন নাট্যব্যক্তিত্ব শংকর সাঁওজাল, সঙ্গীত পরিচালক পার্থ মজুমদার এবং এ্যালবামটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিরোনার চেয়ারম্যান মতিউর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন বাপ্পা মজুমদার।

‘বেনানন্দ’ এ্যালবামটি সাজানো হয়েছে ৮টি লোকগান নিয়ে। এর মধ্যে তিনটি লালনের ‘জাত গেলো জাত গেলো বলে’, ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ও ‘বাড়ির পাশে আরশী নগর’, তিনটি রাধারমণের ‘বনমালী গো তুমি পরজনমে হইও রাধা’, ‘কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো’ ও ‘শ্যাম কালিয়া সোনা বন্ধুরে’, হাছন রাজার ‘আগুন লাগাইয়া দিলো কনে’ এবং অন্যটি মন মোহন দত্তের ‘বেনানন্দ’। সবকয়টি গানের সঙ্গীতায়োজনে বাপ্পা মজুমদার এ্যান্ড ফ্রেন্ডস।

ছায়ানটে আজ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতাসর হারমনি ॥ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ঐতিহ্যগত গঠন ও কৌশলের প্রতি শ্রোতার আগ্রহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে পেশকার কালচারাল ফোরাম। সংগঠনটির আয়োজনে হারমনি শিরোনামে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ধানম-ির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নতুন একটি আয়োজন।

আয়োজনের শুরুতেই বাংলার প্রখ্যাত শিল্পী ও ওস্তাদ সুরেশ তালওয়ালকারের শিষ্য চিন্ময় ভৌমিক এককভাবে তবলায় লহরা তুলবেন।

দুই দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব শুরু কাল ॥ ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পে উজ্জীবনে কাল শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী যাত্রা উৎসব। বিজয় দিবস উদ্্যাপন ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্য চর্চায় বর্ণাঢ্য এ আয়োজন করেছে লোকনাট্য গোষ্ঠী। শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে বিকেল সাড়ে ৫টায় দুই দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন নাট্যজন অধ্যাপক ড. ইনামুল হক। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল আকতারুজ্জামান ও বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক ড. তপন বাগচী।

যাত্রা উৎসব আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও লোকনাট্য গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অভিনয় শিল্পী তাপস সরকার জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর লোকনাট্য গোষ্ঠীর পরিবেশনায় মঞ্চায়ন হবে যাত্রাপালা ‘আনারকলি’। পালাটি রচনা করেছেন প্রসাদকৃষ্ণ ভট্টাচার্য এবং নির্দেশনা দিয়েছেন তাপস সরকার। তিনি আরও জানান, প্রতিবারের মতো এবারের উৎসবেও সংগঠনের পক্ষথেকে দেশের কয়েকজন গুণী অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীকে সম্মাননা দেয়া হবে। এরা হলেনÑ যাত্রাভিনেত্রী পূরবী সরকার, যাত্রাশিল্পের পৃষ্ঠপোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম খান কামাল ও দুঃস্থ মানবাতার সেবায় নিবেদিত ইঞ্জিনিয়ার এম এ আওয়াল (পিএমজেএফ)। উৎসবের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল সাড়ে ৫টায়। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।