১৫ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

  • অসিদের বিপক্ষে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ক্যারিবীয়দের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ খুব বাজেভাবেই এবার অস্ট্রেলিয়া সফর শুরু হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সিরিজের প্রথম টেস্টে মাত্র তিনদিনেই আত্মসমর্পণ করেছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। হার হয়েছে ইনিংস ও ২১২ রানের বিশাল ব্যবধানে। এবার ক্যারিবীয়দের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ‘বক্সিং ডে’-তে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্নে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ ম্যাচটি হারলেই সিরিজ খোয়াবে তারা। সেজন্য ন্যূনতম ড্র করতে হবে। কিন্তু সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে অসিরা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর আবার ক্যারিবীয়দের বিপক্ষেও দারুণ জয়ে এখন আগেভাগে সিরিজ জয়ের সুযোগ তাদের। ব্যাটিং ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে ক্যারিবীয়দের। প্রথম টেস্টে ব্যাটসম্যানরা সুবিধা করতে পারেননি বিন্দুমাত্র। আবার বোলাররাও তেমন দাপট দেখাতে পারেননি। সবমিলিয়ে ব্যর্থতায় ভরপুর একটা ম্যাচ খেলেছে হোবার্টে সফরকারীরা। এবার সব বিভাগেই নিজেদের উন্নতির ছাপ দেখাতে হবে। কিন্তু মেলবোর্নের মাঠটি একেবারেই অপরিচিত বর্তমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের জন্য। কারণ গত ১৫ বছর এ ভেন্যুতে কোন টেস্ট খেলেনি তারা। আর অভিজ্ঞ যেসব ক্রিকেটার আছেন তারা সবাই বর্তমানে চলমান বিগব্যাশ টি২০ লীগে খেললেও টেস্ট দলে নেই। আর এ বিষয়টি কোচ ফিল সিমন্সকে দারুণ পীড়া দিচ্ছে। তরুণ অধিনায়ক জ্যাসন হোল্ডারকে তাই আবারও লড়তে হবে তরুণ এক দল নিয়ে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। তাই হারলেই সিরিজ হাতছাড়া। তাই অন্তত ড্র করতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। দলের সঙ্গে সিরিজের আগেই পেস বোলিং উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কার্টলি এ্যামব্রোসকে। কিন্তু এরপরও হোবার্টে ক্যারিবীয় পেসাররা দুই অসি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও জো বার্নসের কাছে বেদম পিটুনি খেয়েছেন। তবে মাঝে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিজেদের আরেকবার ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েছে সফরকারীরা।

ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে দু’দিনের অনুশীলন ম্যাচে টপঅর্ডাররা রান পেয়েছেন যা কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে সফরকারী দলের। যদিও বোলাররা আবারও ব্যর্থতাই দেখিয়েছেন। তাই চাপের মধ্যে থাকা ক্যারিবীয়দের জন্য মেলবোর্ন টেস্টে দারুণ কিছু করে ফেলা আরও চ্যালেঞ্জিং হবে। মাত্র ১১ টেস্ট খেলা অধিনায়ক হোল্ডারও বেশ চাপের মুখেই আছেন। ইতোমধ্যে তিন টেস্টে দলের নেতৃত্ব দিয়ে পরাজিত হয়েছেন তিনি। বল হাতে উইকেট বেশি না পেলেও ধারাবাহিকভাবেই তিনি ভাল বোলিং করেছেন। কিন্তু এই তিন টেস্টে ৪৭.৩৩ গড়ে মাত্র ৩ উইকেট ও ৯৭ রান করতে পেরেছেন তিনি। অবশ্য সেই তিন টেস্টই শ্রীলঙ্কা ও হোবার্টের মতো কঠিন পরিবেশে খেলেছেন। এ টেস্টে ক্যারিবীয় দলে বাধ্য হয়েই পরিবর্তন আনতে হবে। পেসার শ্যান গ্যাব্রিয়েল গোঁড়ালির ইনজুরিতে পড়ে দেশে ফিরে গেছেন। অলরাউন্ডার কার্লোস ব্রেথওয়েট এ সুযোগে টেস্ট ক্যাপ পড়তে পারেন। যদিও গ্যাব্রিয়েলের পরিবর্তে দলে যোগ হয়েছেন পেসার মিগুয়েল কামিন্স। অনুশীলন ম্যাচে ভাল বোলিং করার সুবাদে লেগস্পিনার দেবেন্দ্র বিশু একাদশে আরেক স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানের সঙ্গী হতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন। উসমান খাজা ইনজুরি কাটিয়ে ফিট হয়ে ওঠার পর বিগব্যাশে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। তাই জো বার্নস হয়তো একাদশের বাইরে চলে যেতে পারেন। এছাড়া নবাগত পেসার স্কট বোল্যান্ডকে খেলানো হতে পারে। তিনি পেসার কুল্টার নিলের পরিবর্তে ঢুকেছেন।