১৫ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুষ্টিয়া, নবীনগর ও লক্ষ্মীপুরে সংঘর্ষ নিহত দুই

  • আহত ৬০

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া, ২৬ ডিসেম্বর ॥ বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম (২০) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত পাঁচজন। তাদের মধ্যে দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুমারগাড়া এলাকায় জগতি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন ও ইউপি সদস্য এনামুল হক এনামের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। সূত্র জানায়, জগতি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন ও ইউপি সদস্য এনামুল হক এনামের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর সূত্র ধরেই বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ইদবার আলী ও আবদুল মজিদকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বিয়েতে সাবেক চেয়ারম্যান শাহীনের সমর্থকরা এনাম মেম্বারের লোকজনকে নিমন্ত্রণ দেয়নি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এনাম মেম্বারের সমর্থকরা বিয়েবাড়িতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়।

সংবাদদাতা, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জানান, বিদেশী টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও মহিলাসহ আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক। থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা য়ায়, নবীনগর উপজেলার পূর্ব ইউপির মোহল্লা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আলামীন ও নুরুল আমীনের মধ্যে অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রিয়াদে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার দুপুরে মোহল্লা গ্রামে সাবেক মেম্বার মতি মিয়া ও বর্তমান মেম্বার ওবায়দুল গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে মোহল্লা গ্রামের ডাঃ ইব্রাহিম আলীর ছেলে গোলাম কবির (৪৫) নিহত ও মহিলাসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। এর মধ্যে শিশু মিয়া, বাছির মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, আওয়াল ও মামুনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের নবীনগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা লক্ষ্মীপুর থেকে জানান, শহরের তমিজ মার্কেট এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী একেএম বদরুল আলম শাম্মী, জেলা সৈনিক লীগের সভাপতি আবদুর রহিম সওদাগরসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তরুণ লীগের নেতাকর্মীসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে বদরুল আলম শাম্মী, আবদুর রহিম সওদাগর, শিবলু ও মিজানুর রহিমকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এতে দু’গ্রুপের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।