২০ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অসাম্প্রদায়িক চেতনার মেয়র চায় হবিগঞ্জের মানুষ

রফিকুল হাসান চৌধুরী তুহিন, হবিগঞ্জ ॥ শুধু উন্নয়ন চাই, এ রকম পুরনো বুলি আর না, এবার চাই-সত্যিকারের যোগ্যতাসম্পন্ন সাহসী ও নিষ্ঠাবান দৃঢ় চেতা প্রগতিশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আস্থাশীল অসাম্প্রদায়িক একজন মুক্তবুদ্ধি চেতনার ব্যক্তিত্ব। যিনি এই পৌরসভার মেয়র হয়ে জননিরাপত্তায় সকলের পরামর্শে সার্বিক সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন। এমনটিই জনকণ্ঠকে বলছিলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভায় বসবাসরত শত পুরুষ-মহিলা ভোটারদের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ জনই। তারা এও বলছেন, এবারের আসন্ন হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক মূল লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে ভোটাররা এও বলছেন, আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজানকে নিয়েও ভাবছেন ভোটাররা। ফলে চমক সৃষ্টি করে ত্রিমুখী লড়াই হলে হতেও পারে। ভোটারদের এমন ভাবনার মাঝেই চলছে এই পৌরসভায় মেয়র পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে আতাউর রহমান সেলিম, সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম শামস্ কিবরিয়া হত্যা মামলার আসামি কারান্তরীণ বিএনপি সমর্থিত ‘ধানের শীষ’ নিয়ে আলহাজ জিকে গউছ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে দাবিদার ‘নারিকেল গাছ’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিদ্রোহী) মিজানুর রহমান মিজান। হবিগঞ্জ শহর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা গুরুত্বপূর্ণস্থানগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ উন্নয়নের ব্যাপক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহার ঘোষণাকারী আতাউর রহমান সেলিম তার কর্মী-সমর্থক নিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে পুরোদমে চালাচ্ছেন শেষ মুহূর্তের প্রচারণা।

তিনি ভোটারদের কাছে এখন এ কথাই বলছেন, আমি একজন অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মানুষ। মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক। আজীবন রাজাকার-মৌলবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করে নির্যাতিত শুধু হয়নি বরং একাধিকবার জেলও খেটেছি।

রানীশংকৈলের ভোটের মাঠে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ২৬ ডিসেম্বর ॥ রানীশংকৈল পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি। এর ফলে পৌরসভাটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আর কোন বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী এ আদেশ দেন। বাধা কেটে যাওয়ায় রানীশংকৈল পৌরসভার প্রার্থী-ভোটারদের মধ্যে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

২০০৪ সালে পৌরসভা গঠনের পর রানীশংকৈল পৌরসভার আয়তন ছিল ৫ দশমিক ১২ বর্গকিলোমিটার। ২০১৪ সালে তা বেড়ে ৫ দশমিক ৪৩ বর্গকিলোমিটার করা হয়। এর মধ্যে নতুন ৩৮৪টি হোল্ডিং যোগ হয়। এসব হোল্ডিংয়ের বাসিন্দারা পৌরকরসহ সবকিছু পরিশোধ করলেও তাদের ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়নি। এতে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শরীফুল ইসলাম নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। এর ভিত্তিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ রানীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার বিচারপতির কাছে আবেদন করে। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার বিচারপতি।

এ পৌরসভায় ৪ জন বৈধ মেয়রপ্রার্থী আওয়ামী লীগের আলমগীর সরকার, জাতীয় পার্টির সামসুল আরেফিন, স্বতন্ত্র জামায়াত নেতা মোকারম হোসেন, প্রগতিশীল পার্টির প্রার্থী এনামুল হক এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩১ ও সংরক্ষকিত কাউন্সিলর পদে ১১ প্রার্থী তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যাপক প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।