২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ওলামাদের প্রতি আহ্বান হাছান মাহমুদের

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি শুক্রবারের জুমা নামাজের খুৎবার আগে ইসলাম ধর্ম বোমাবাজী করে নীরিহ মানুষ হত্যাকে যে সমর্থন করে না তা মুসুল্লীদের সামনে তুলে ধরার জন্য আলেম-ওলামাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইসলাম সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও গুপ্তহত্যা সমর্থন করে না’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এ আহবান জানান।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মো. ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ করিম, ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির মহাসচিব মাওলানা মো. শরীফুর রহমান, সংগঠনের নেতা মাওলানা মো. মনির হোসাইন চৌধুরী ও মাওলানা মুফতি তাজুল ইসলাম ফারুকী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আন্তর্জাতিক একটি চক্র শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের বিপদে ফেলার জন্য আল-কায়েদা ও আইএস মতো সন্ত্রাসী জঙ্গী সংগঠন সৃষ্টি করে বোমাবাজি করাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের বিএনপি ও জামায়াত ওই চক্রের ক্রিড়ানক হিসেবে কাজ করছে। কেননা বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে বেশ কয়েকটি দল রয়েছে যারা আলকায়েদা ও আইএসের উগ্র জঙ্গীবাদের আদর্শে বিশ্বাস করে।

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও জামায়াতসহ বেশ কয়েকটি দল ইসলাম রক্ষার নামে দেশের নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল। আর আমাদের মা-বোনদের গনিমতের মাল হিসেবে অভিহিত করেছিল।

বুদ্ধিজীবীদের নিবুদ্ধিতার জন্যই বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকান্ডের শিকার হতে হয়েছিল বিএনপির এক নেতার এমন বক্তব্যে জবাবে ড. হাছান বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডকে জায়েজ করার জন্য এবং এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের রক্ষা করার জন্যই এ মন্তব্য করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা আর বিএনপি নেতাদের এধরনের বক্তব্য তাদের পাকিস্তানী চিন্তার প্রতিফলন ছাড়া আর কিছুই নয়।

এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য মওদুদীবাদের জম্ম হয়েছিল। আর বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া ও জামায়াত মওদুদীবাদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, জামায়াত বিএনপি আন্তর্জাতিক জঙ্গীবাদের দোসর হিসেবে কাজ করছে। তাই যারা ইসলাম ধর্মের শত্রু তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ না করে বাচনিক জেহাদের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে।

কামরুল বলেন, আর জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত বাচনিক বা তার্কিক জেহাদে দেশের আলেম সমাজকে নেতৃত্ব দান করতে হবে।