২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতীয় গোয়েন্দা তথ্য খাগড়াগড়ের বোমা হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে জেএমবি

শংকর কুমার দে ॥ আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ব্যাপক জঙ্গী হামলার পরিকল্পনা নিয়ে সারাদেশে সংগঠিত হচ্ছিল জঙ্গী সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশসহ (জেএমবি) বিভিন্ন সংগঠনের জঙ্গীরা। নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গীরা যে দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গী হামলার পরিকল্পনা করছে সে বিষয়ে আগেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। চলতি ডিসেম্বরের প্রথম দিকে এনআইএ’র এক এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি টিম ঢাকায় এসে র‌্যাব ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে বাংলাদেশে জেএমবির তৎপরতার বিষয়ে একটি রিপোর্ট দেয়। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে জঙ্গীবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে সর্বশেষ চট্টগ্রামে জঙ্গী আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে তিন জেএমবির জঙ্গীসহ দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নির্দিষ্ট বস্তুকে টার্গেট করে হত্যা করা সম্ভব এমন আমেরিকার তেরি, আমেরিকার সৈন্যদের ব্যবহৃত ‘এমকে-১১ স্নাইপার রাইফেল’ নামে অত্যাধুনিক রাইফেল উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই মিরপুরে অভিযান পরিচালনা করে জেএমবির সাত জঙ্গী ও জামায়াতÑশিবিরকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। মিরপুরের অভিযানের রেশ না কাটতেই রাজশাহীর বাগমারার আহমদিয়া সম্প্র্রদায়ের মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র জানান, ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ’র দেয়া রিপোর্টে বলা হয়, বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের মতো কোন ঘটনা বাংলাদেশে জেএমবিরা ঘটাতে পারে। বিশেষ করে যে কোন জনাকীর্ণ স্থানে ভয়ঙ্কর ধরনের আত্মঘাতী বোমা হামলা চালাতে পারে। এজন্য তাদের হাতে প্রচুর বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র আছে। এরা পশ্চিমবঙ্গে আর্থিকভাবে তেমন কোন সুবিধা করতে পারেনি বলে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত কয়েকজন জেএমবি নেতা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্ত এলাকায়।