২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে জাতির পিতার ভাস্কর্য উদ্বোধন আজ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে স্থাপন করা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ভাস্কর্য। এর নামকরণ করা হয়েছে ‘জাতির পিতার ভাস্কর্য’। নির্মাণ করছেন শিল্পী প্রশান্ত দাশ ও শিল্পী সুকুমার বাকচী। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে খুলনা প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ।

খুলনা প্রেসক্লাবের কর্মকর্তারা জানান, ভাস্কর্যটি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত মানের মার্বেল, হোয়াইট সিমেন্ট, মার্বেল ডাস্ট, লোহার রড ও এসএস রডসহ নানান সামগ্রী। ৩ ফুট বেদিসহ গ্রে রংয়ের এই ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫ ফুট। এটি নির্মাণে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

খুলনা প্রেসক্লাব সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু জানান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাধীনতার রক্ত সিঁড়ির পর এবার খুলনা প্রেসক্লাবে জাতির জনকের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হলো। ভাস্কর্যটি অনাগতকাল ধরে ভবিষ্যত প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে শাণিত করবে। এই ভাস্কর্যে শিল্পী জাতির জনকের আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা অভিব্যক্তিই ফুটিয়ে তুলেছেন।

মাদারীপুরে কিশোরী ধর্ষণের শিকার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ও কালকিনি, ২৮ ডিসেম্বর ॥ ডাসার থানার কাজীবাকাই ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষণ শেষে ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দিয়েছে দুই বখাটে। এ ঘটনায় রবিবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা সালিশে ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করেছেন সাড়ে ৩ লাখ টাকা। এছাড়াও কিশোরীর পরিবারকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ডাসার থানার কাজীবাকাই ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের কিশোরীকে (১২) একই গ্রামের বিপুল শীলের ছেলে ঝন্টু শীল (২৫) ও ভেলা শীলের ছেলে নিতাই শীল (২৭) বাড়ির পাশের জঙ্গলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং ওই ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ওই ভিডিওচিত্রকে পুঁজি করে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে বখাটেরা ভিডিওটি বিভিন্নজনের কাছে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় রবিবার কাজীবাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খোন্দকার সালিশ মীমাংসায় ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করে রায় দেয় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। কিন্তু এ সাড়ে ৩ লাখ টাকাও ধর্ষিতার পরিবার পায়নি বলে জানা গেছে। সালিশদার নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমাদের কাছে দুইপক্ষ এলে আমরা মীমাংসা করে দিয়েছি। এটা তো অন্যায় কিছু না।’

ধর্ষিতার পিতা বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ; মেয়েকে কোথায় বিয়ে দেব। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরে ঘটনাটি গণমাধ্যম কর্মীরা জানলে পুলিশ রবিবার রাতে ভেলা শীলের ছেলে নিতাই শীলকে আসামি করে ডাসার থানায় একটি মামলা গ্রহণ করেছে।