২৬ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে শেষ প্রচারে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নৌকা-শীষ প্রার্থী

মামুন-অর-রশিদ, রাজশাহী ॥ পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারের শেষ দিনে এসে রাজশাহীর ১৩ পৌরসভায় দুই দলের প্রতীকেই একাকার ভোটাররা। হয় নৌকা নয় তো ধানের শীষ- এই দুই প্রতীক নিয়েই এখন ভাবছেন ভোটাররা। প্রচারের শেষ দিনে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামে প্রধান দুই দলের প্রার্থী, সমর্থক থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষ। যেন ভোট দুই প্রতীক নিয়েই। এখন আর বিদ্রোহীদের গুনছেন না কেউ।

রাজশাহী ১৩ পৌরসভায় ভোটের মাঠে শুধু নৌকা আর ধানের শীষের মধ্যে জোর লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে শেষ দিনের প্রচারে। ভোটের মাঠে এখন রীতিমতো উৎসবের আমেজ বইছে ভোটারদের মধ্যে। তবে স্নায়ু চাপে রয়েছেন প্রার্থীরা। কি হয়, শেষ পর্যন্ত জয় পরাজয়ের হিসেব কষতে কষতে অনেকটায় খেই হারিয়ে ফেলছেন তারা। মন মানছে না তাদের। যাকেই কাছে পাচ্ছেন জড়িয়ে ধরে ইজ্জত রক্ষার জন্য অন্তত শেষবাবের মতো ভোট চাইছেন তারা। সেই সঙ্গে ওয়াদা করছেন সব সময় পাশে থেকে নাগরিক সমস্যা সমাধান ও এলাকার উন্নয়নের।

সোমবার রাজশাহী জেলার মুন্ডুমালা, তানোর, গোদাগাড়ি. কাটাখালি ও নওহাটা পৌর এলাকা ঘুরে দেখা যায় চারিদিকে শুধু ভোটের হাওয়া। এ হাওয়ায় গা ভাসিয়েছেন সব বয়সের মানুষ। নারী থেকে শিশুরাও ভোটের মাঠে সক্রিয়। নিজেদের মতো করে শেষবারের মতো ভোট চাইছেন নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে। প্রচারের শেষদিনে কথা হয় মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ফিরোজ কবীরের সঙ্গে। তিনি জানান, এখন জয় পরাজয় নির্ভর করছে ভোটারদের ওপর। তাদের প্রচার শেষ। এখন অপেক্ষা আর ভোট বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। একই পৌরসভার ভোটাররা জানান, এখন ভোটের মাঠ দুই ভাগে বিভক্ত। কেউ নৌকার পক্ষে কেউ ধানের শীষে। এই দুই প্রতীকেই নির্বাচনে লড়াই হবে। অন্যদের (বিদ্রোহী) আর কেউ গুনছেন না। রাজশাহীতে পৌর নির্বাচনের ব্যালট পেপারসহ অন্য নির্বাচন সামগ্রী বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। রবিবার বিকেল থেকে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে এগোল পাঠানোর কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবারের মধ্যে সব কেন্দ্রেই সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদেও জন্য ব্যালট পেপার ইতোমধ্যেই এসে গেছে। সেগুলো এখন কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।

মিরকাদিমে জেপি মেয়র প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মিরকাদিম পৌরসভার জেপি মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোহাম্মদ হোসেন রেনু (বাইসাইকেল) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি রিটার্নিং অফিসার বরাবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের লিখিত আবেদন করেছেন রবিবার। পৌরসভাটির সাবেক মেয়র খন্দকার মোহাম্মদ হোসেন রেনু জানান, দুই মেয়র প্রার্থীর কালো টাকার বিলির প্রতিবাদেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তাই নির্বাচনের কোন এজেন্ট নিয়োগ করবেন না। এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার ফয়সাল কাদের সোমবার জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ এখন আর নেই। ব্যালট পেপারও ছাপা হয়ে গেছে। আবেদন দিতেই পারেন, কিন্তু এর কোন প্রতিকার নেই। স্থানীয় নির্বাচন বোদ্ধারা জানিয়েছেন, সাবেক এই মেয়র নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অপেক্ষাকৃত লাভবান হবেন। এই পৌরসভায় ছয় মেয়র প্রার্থী রয়েছেন।