২১ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাঙ্গামাটিতে গৃহবিবাদ ॥ বিএনপি প্রার্থী কোণঠাসা

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গামাটি, ২৮ ডিসেম্বর ॥ শেষ মুহূর্তে জমজমাট প্রচারণা শুরু হয়েছে। কাকডাকা ভোরে কনকনে শীত উপেক্ষা করে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের নিজের দলবল নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট ভিক্ষা করছেন। প্রার্থী ছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীরা শহরের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারের দোয়া চেয়ে।

পাহাড়ি শহর রাঙ্গামাটিতে এবার ত্রিমুখী যুদ্ধ হবে। এখানে মেয়র পদে ৫ জন প্রার্থী হলেও লড়াই হবে ৩ প্রার্থীর মধ্যে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকবর হোসেন চৌধুরী, বিএনপি প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম ভুট্টো চৌধুরী ও জনসংহতি সমিতির সর্মথক স্বতস্ত্র প্রার্থী ডাঃ গঙ্গা মানিক চাকমা।

হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুই বিদ্রোহী প্রার্থী দলীয় অফিসে গিয়ে দল মনোনীত আকবর হোসেনের সমর্থনে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহর করে ভোট চাওয়ার জন্য মাঠে নামায় আকবর হোসেনের প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হলেও গৃহবিবাদের কারণে বিএনপির বিষফোঁড়া বিদ্রোহী প্রার্থী রবিউল থাকায় নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পিছিয়ে পড়েছেন। পর্যটন শহর রাঙ্গামাটি পৌরসভায় আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রার্থী ডাঃ গঙ্গা মানিক চাকমার আবস্থান বেশ জোরালো। প্রচারণায় তিনিও পিছিয়ে নেই। জাতীয় পার্টির শিবপ্রসাদ মিশ্র একা একা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শেরপুরে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার দাবি আওয়ামী লীগের

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ২৮ ডিসেম্বর ॥ শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে সন্ত্রাস ও নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় জামায়াত-বিএনপি সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন। সোমবার দুপুরে শহরের থানামোড়ের বঙ্গবন্ধু স্কয়ার অঙ্গনে অবস্থিত দলীয় প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ওই দাবি জানান।

তিনি বিএনপি প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক আশীষের পক্ষে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বলেন, পৌর এলাকার শেখহাটি মহল্লায় তার দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মজনু মিয়াসহ অন্যরা প্রকাশ্যে সভা করে বাঁশের লাঠি ও তীর-ধনুক প্রস্তুত করার ঘোষণা দিচ্ছেন।

এছাড়া পৌরসভার আরও কয়েকটি এলাকাতে একই অবস্থা বিরাজ করছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় অপরিচিত সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে। ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন এলাকায় মহড়া দিচ্ছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গৌরীপুর, সজবরখিলাসহ কয়েকটি এলাকায় ভীতি ছড়ানো হচ্ছে। ওই অবস্থায় নৌকার বিজয় ঠেকাতে জঙ্গী নাশকতারও আশঙ্কা রয়েছে।