১৫ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অন্য দলগুলোর মত সমান সুবিধা পাবে অস্ট্রেলিয়াও

  • যুব বিশ্বকাপের ক্রিকেট, ভেন্যু ও নিরাপত্তা দেখতে বাংলাদেশে আইসিসি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ গত অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। কিন্তু নিরাপত্তা হুমকির অজুহাত দেখিয়ে বাতিল করে সে সফরটি। তবে পরবর্তী মাসেই অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলে গেছে বাংলাদেশ থেকে। এবার আরেকটি বড় ধরনের আন্তর্জাতিক আসর এগিয়ে এসেছে। ২৭ জানুয়ারি শুরু হবে অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ২০০৪ সালে সফল আয়োজক হিসেবে আরেকবার যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন করেছিল। এবার আরেকটি বিশ্বকাপ। এবার ১৬ দেশ অংশ নেবে এ আসরে। তবে আবারও নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে অস্ট্রেলিয়া গড়িমসি মনোভাব দেখাচ্ছে। সোমবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে এসেছে দু’দিনের জন্য। এরপর অংশ নেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে তারা। তবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলো যে নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা পাবে এর বাইরে বাড়তি কিছু দেয়া হবে না অস্ট্রেলিয়া যুবদলকে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

বিশ্বকাপ হলেও আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্ট পরিচালনার সব দায়-দায়িত্ব বিসিবির। এমনটাই জানিয়েছেন নিজামউদ্দিন সুজন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সুবিধা মতো করে নেব। এটার স্বাভাবিক নিয়ম হচ্ছে আয়োজক দেশ তাদের সুবিধা মতো কাদের নিয়ে পরিচালনার কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। এটা বোর্ডের বিষয়, আইসিসির নয়। অবশ্যই দেশী কেউ টুর্নামেন্ট পরিচালক হবেন। এটা আয়োজক দেশ ঠিক করে।’ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই দুয়েকটি দল চলে আসবে। কারণ টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই সব দলের অনুশীলন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে সব দলই ২০ জানুয়ারির মধ্যে আসবে বলে জানিয়েছেন সুজন। যুব বিশ্বকাপ হলেও ম্যাচ দেখার জন্য টিকেটের ব্যবস্থা রাখা হবে। তবে সেটা ন্যূনতম মূল্যেই দেখার সুযোগ পাবে দর্শকরা। এ বিষয়ে সুজন বলেন, ‘নিরাপত্তার দিক থেকে চিন্তা করেই এটা করা হচ্ছে। উন্মুক্ত করে দেয়া যাচ্ছে না। হয় তো টিকেটের দাম ২০-৩০ টাকা করা হবে। আর সেমিফাইনাল বা ফাইনালে একটু বাড়তে পারে দাম।’

সবমিলিয়ে মাত্র ১৯ দিনের টুর্নামেন্টে ৪৮ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও সিলেটের মোট ৮ ভেন্যুতে খেলাগুলো হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া যুবদলের অংশগ্রহণ করা নিয়ে আছে ধোঁয়াশা। নিরাপত্তা সমস্যা নিয়ে এখনও ভাবছে তারা। এ বিষয়ে সুজন বলেন, ‘এর আগেও আইসিসির একটি দল এসেছিল বাংলাদেশে। আমরা যেসব ভেন্যুতে খেলাগুলো চালাব সেই ভেন্যুগুলো দেখতে এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো দেখার জন্য। সদস্য দেশের মধ্যে কোন দেশ যদি দল পাঠায় সেক্ষেত্রে আসতেই পারে। আমরা সেভাবেই দেখছি বিষয়টা।’ তবে অস্ট্রেলিয়াকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে না বিসিবি এমন দাবিই করলেন সুজন। তিনি বলেন, ‘না এ রকম কোন সুযোগ আমাদের নেই। এখানে ১৬ দল অংশ নিচ্ছে। সবাই সমান সুবিধা পাবে। আমাদের কাজ হচ্ছে ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করা। আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কথা জানিয়েছি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। কোন অনুর্ধ ১৯ টুর্নামেন্টে এর বেশি কেউ করতে পারে অতীতে এমন কোন উদাহরণ ছিল না। আমরা যে নিরাপত্তা দিচ্ছি ভবিষ্যতে কেউ এমন করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।’