২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুন্সীগঞ্জে ২৭ কেন্দ্র অতিঝুকিপূর্ণ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ১২৩৩ জন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ॥ মুন্সীগঞ্জে দুই পৌরসভার ২৭ কেন্দ্রেই অধিক ঝুকিপূর্ণ। বাকী ১৫টি কেন্দ্র সাধারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ২৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১৭ টি এবং মিরকাদিম পৌরসভার ১৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১০টি অধিক ঝুকিপূর্ণ। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরী করা হয়েছে। মিরকাদিম ও মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মোট ৪২টি কেন্দ্রের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ১ হাজার ২ শ’৩৩ সদস্য কাজ করবে। এর মধ্যে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার রয়েছে। এর বাইনে ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে আরও ২৪ জন। নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে ভোটের সরঞ্জামাদি এবং ভোট গ্রহনের প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা মঙ্গলবার দিনভর ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। বিজিবি টহল শুরু হয়েছে। মোটর সাইকেল চলাচলে করাকরি আরোপ করা হয়েছে। যান বাহনও চলছে সিমীত। প্রচারনা বন্ধ থাকলেও প্রার্থীরা শেষ মহুর্তে নির্বাচনী নানা কৌশল প্রয়োগ করছেন। এজেন্টদের ব্রিফিংসহ শেষ পর্যায়ের কাজ করছেন। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে ফেলা হয়েছে ভোটকেন্দ্রগুলো। তাই বিশেষ পরিবেশ বিরাজ করছে শহর দু’টিতে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার জেলা শহর। এই শহরের প্রধান সমস্যা মাদক। একদা ছোট সিমসাম এই শহরটিতে পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। রাস্তা-ঘাট ভাংগা-চুরা। ময়লা আর্বজনা ছোট ঘাটে। নেই বিনোদনের সুব্যবস্থা। বাস স্ট্যান্ট না থাকায় যেখানে সেখানে পাকিং করার যানজট লেগেই আছে। ১০ দশমিক ৮৫ বর্গকিলোমিটারের এই শহরের জনসংখ্যা ৯৯ হাজার ৩’শ ৪৩ জন। গ্যাস ও পানি সঙ্কট রয়েছে প্রকট। ক্রীড়া, স্কংৃতি ও জ্ঞান র্চচা যথাযথ নয়। মোট ভোটার সংখ্যা ৪৫ হাজার ৪’শ ২৮জন। এর মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ৩’শ ৩২ জন। মোট প্রার্থী ৫২। এরমধ্যে মেয়র ৪, মহিলা কাউন্সিলর ৯, ও সাধারণ কাউন্সিলর ৩৯। ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েনে নার্গিস আক্তার। তবে এখানে মেয়র পদে এখানে ফয়সা বিপ্লব (নৌকা) ও একএম ইরাদত মানুর (ধানের শীষ) মধ্যে দ্বিমুখী লড়াই হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে।

১০ দশমিক ৩২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বন্দর নগরী মিরকাদিম পৌরসভায় জনসংখ্যা ৫৬ হাজার ৯৬ জন। এখানেও অপ্রস্ত রাস্তাসহ মুন্সীগঞ্জ পৌরসভারমতই হরেক রকম সমস্যা রয়েছে। এই পৌরসভায় মোট প্রার্থী ৪৬। এরমধ্যে মেয়র প্রার্থী ৬, মহিলা কাউন্সিলর ১০ ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ৩০। এখানে মেয়র পদে লাড়াই হবে ত্রিমুখী। শহিদুল ইসলাম শাহিন (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মন্সুর আহমেদ কালাম (মোবাইল ফোন) ও শামসুর রহমানের (ধানের শীষ) মধ্যে হবে মূল লড়াই।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল ও পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটারা নির্বিগ্নে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

নির্বাচিত সংবাদ