২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জার্মানিতে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে সাইক্লিস্টদের

  • তৈরি হবে ১শ’ কিলোমিটার রুট

কোন লালবাতি থাকবে না, ট্রাফিক জাম থাকবে না, বায়ু থাকবে নির্মল, সাইকেল নির্বিঘেœ যেখানে প্রয়োজন সেখানে পৌঁছে যাওয়া যাবে- এটি প্রত্যেক সাইকেল আরোহীরই স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিল জার্মানি। অফিসগামী লোকজন যেন সাইকেলে বিনা বাধায় সরাসরি বাসা থেকে অফিসে যেতে আসতে পারে সে জন্য তৈরি করে দেয়া হয়েছে সাইকেল চলাচলের পৃথক রাস্তা।

প্রাথমিকভাবে পাঁচ কিলোমিটার (৩ মাইল) সাইকেল বান্ধব সড়ক তৈরি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে একে ১শ’ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো হবে। যার নাম দেয়া হয়েছে ভেলো রুট। এটি তৈরি করতে খরচ পড়বে ১৮ কোটি ইউরো ( ১৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার)। জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় ১০টি শহর ও ৪টি ইউনিভার্সিটিকে এই সড়ক কভার করবে। এই প্রকল্পে শিল্পাঞ্চলের পরিত্যক্ত রেলপথকে কাজে লাগানো হচ্ছে। সাইকেল সড়কে ২ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা প্রায় ২০ লাখ মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ আরভিআরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রকল্পটি পুরোদমে চালু হলে রাজপথে গাড়ির চাপ কমে আসবে। প্রতিদিন তাতে ৫০ হাজার কার কম চলবে। নেদারল্যান্ডস ও ডেনমার্কের অনুকরণে জার্মানি একই রকম পদক্ষেপ নিল। ফ্রাঙ্কফুর্টের ব্যাংকপাড়াকে দক্ষিণের ডারমসডটের সঙ্গে সংযুক্ত করতে ৩০ কিলোমিটার এবং ব্যাভেরিয়ার রাজ্যের রাজধানী মিউনিখকে এর উত্তরাঞ্চলীয় শহরতলিগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করতে ১৫ কিলোমিটার সাইকেল সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নুরেমবার্গকে সাইকেল নেটওয়ার্ক দিয়ে চারটি শহরের সঙ্গে সাইকেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। অন্যদিকে রাজধানী বার্লিনকে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দক্ষিণের জেলেনডর্ফ শহরতলির সঙ্গে সংযুক্ত করা যায় কিনা তার সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখতে নগর কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের গোড়ার দিকে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। -এএফপি

পরমাণু চুক্তি ॥ ইউরেনিয়াম বোঝাই জাহাজ রাশিয়া পাঠিয়েছে ইরান

পরমাণু চুক্তির প্রতি সম্মান জানিয়ে ইরান সোমবার ইউরোনিয়ামের বড় মজুদ বিদেশে পাঠিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কম মাত্রায় সমৃদ্ধ ১১ হাজার কেজি ইউরেনিয়ামবোঝাই একটি জাহাজ ইরান থেকে রাশিয়ার পাঠিয়ে দেয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এ কথা বলেন। চলতি বছরের ১৪ জুলাই ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরান পরমাণু চুক্তি সই করে। চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তানুযায়ী ইরান অঙ্গীকার করেছিল, নিজেদের কাছে থাকা কম মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কমিয়ে ৩০০ কেজির নিচে নিয়ে আসবে। ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যেই ওই চুক্তির পরিকল্পনা করা হয়। কেরি এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান নিজ দেশ থেকে সব সমৃদ্ধ উপাদান (ইউরেনিয়াম) সরিয়ে নেয়ার এবং ৩০০ কেজির বেশি কম মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম না রাখার যে অঙ্গীকার করেছিল তা পূরণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রুশ পরমাণু সংস্থা ‘রোসাটম’-এর এক মুখপাত্র পরে ওই মার্কিন ঘোষণার সত্যতা স্বীকার করেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে আলোচনার পর চলতি বছরের পূর্ব নির্ধারিত সময়ে (৩০ জুনের মধ্যে) সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও জুলাইয়ে ছয় বিশ্ব শক্তি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে ইরানের বহুল আলোচিত পরমাণু চুক্তি সই হয়। -বিবিসি

এই মাত্রা পাওয়া