২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চিংড়ি রফতানির জটিলতা নিরসনে কমিটি গঠন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ হিমায়িত চিংড়ি রফতানির জটিলতা নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। হিমায়িত চিংড়ি রফতানিতে ব্যবহৃত কার্টন ও এক্সেসরিজ সরবরাহ নিয়ে এক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। ওই জটিলতা নিরসনে রবিবার এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে এনবিআর ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সাত সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। কমিটিকে আগামী ২১ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিটিতে এনবিআরের সদস্য (শুল্ক, রফতানি, বন্ড ও আইটি) এ এফ এম শাহরিয়ার মোল্লাকে আহ্বায়ক করা হয়। ওই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেনÑ শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক ড. মইনুল খান, প্রথম সচিব (শুল্ক, রফতানি ও বন্ড) মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, দ্বিতীয় সচিব (শুল্ক, রফতানি ও বন্ড) মুহাম্মদ ইমতিয়াজ হাসান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম মোস্তফা, এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রেজাউল হক, শরিফা প্রিন্টার্স এ্যান্ড প্যাকেজারস্ প্রাইভেট লিমিটেড এবং সাউথ এশিয়ান প্রিন্টিং এ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের এমডি মাহমুদ আহসান টিটু। সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, রফতানি খাতকে বিশেষভাবে উৎসাহ দেয় এনবিআর। এক্ষেত্রে হিমায়িত চিংড়ি রফতানিতে বিঘœ ঘটবে না। বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে সার্বিক সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে এনবিআর একটি রফতানি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

এ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম মোস্তফা বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে হিমায়িত চিংড়ি ও মৎস্য রফতানি করে আসছেন। রফতানিতে ব্যবহৃত প্যাকেজিং সামগ্রী দীর্ঘ এক দশক ধরে স্থানীয় বন্ডেড প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয় এলসির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। স্থানীয় এলসির মাধ্যমে পিআরসি ও অন্যান্য ডকুমেন্ট জমা দিয়ে বন্ডেড প্যাকেজিং সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। এতে বিদেশী মুদ্রা বা ব্যাক টু ব্যাক এলসির প্রয়োজন হয় না। চিংড়ি রফতানির প্যাকেজিং সামগ্রী সংগ্রহে টাকার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রায় আইএলসি খোলা, ব্যাক টু ব্যাক এলসির শর্ত দেয়ায় গত এক মাসের বেশি রফতানি বন্ধ রয়েছে। দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ হিমায়িত চিংড়ি খুলনা অঞ্চল থেকে রফতানি করা হয়। গত ৭ ডিসেম্বর খুলনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের একটি আদেশে রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।