২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভৈরবে বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ অর্ধশত একজনের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভৈরব, ২৯ ডিসেম্বর ॥ ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের খাবার খেয়ে আছিয়া বেগমের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রাইভেট হাসপাতালে অর্ধশত রোগী ভর্তি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ২৪ জনের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৭ জনকে ঢাকার মহাখালীর উদরাময় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফুড পয়জিংয়ের কারণে এ মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বুলবুল আহম্মেদ। তিনি আরও জানান, তার নেতৃত্বে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করে রোগীদের সর্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণসহ চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে।

গত শনিবার স্থানীয় কালিকাপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দিনভর অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে আগত দর্শকদের মাঝে বিরিয়ানীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়। তারা ওই বিরিয়ানীর প্যাকেট যার যার বাড়ি নিয়ে খায়। সন্ধ্যা থেকে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তারা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। অসুস্থ রোগী ও তাদের পরিবারের লোকজন জানায়, স্কুলের অনুষ্ঠানের জন্য তারা এক শ’ টাকা করে দিয়ে এ বিরিয়ানীর প্যাকেট নেয়। বাড়িতে নিয়ে খাওয়ার পর একে একে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পুষ্টি চাহিদা মেটাতে ফল উৎপাদন শীর্ষক কর্মশালা

বছরব্যাপী ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি এবং ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে হবে। ফলের চাষ বৃদ্ধি করে বিদেশী ফলের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। দেশি ও রফতানিযোগ্য ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে ২৮ ডিসেম্বর খামারবাড়ির আ. কা. মু. গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটরিয়ামে বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা-২০১৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এমপি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ দেশের ঐতিহ্যবাহী বিলুপ্তপ্রায় ফলগুলোকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষার জন্য সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও উদ্যান ফসল উৎপাদনে এখনও পিছিয়ে। এ কারণে পাহাড়ী ও উপকূলীয় জমিতে ফলের গাছ রোপণ এবং বসতভিটাকে উদ্যান ফসলের আওতায় আনতে হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারা বছর ফল চাষ হলে রাসায়নিক মুক্ত নিরাপদ ফলের আড়তসহ স্থানীয় বাজার গড়ে উঠবে এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের পরিচিতি উপস্থাপন করেন বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মেহেদী মাসুদ। অভিজ্ঞতার আলোকে বছরব্যাপী ফল উৎপাদন কৌশলের ওপর আলোকপাত করেন ডিএইর সাবেক মহাপরিচালক এম এনামুল হক। এ ছাড়াও হর্টিকালচার সেন্টারের প্রতিনিধি ও কৃষক প্রতিনিধির বক্তব্য তুলে ধরা হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব শ্যামল কান্তি ঘোষ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন।

নির্বাচিত সংবাদ