২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সেমির দ্বৈরথে চার দল

  • ভারত-মালদ্বীপ, আফগানিস্তান-নেপাল মুখোমুখি বৃহস্পতিবার

স্পোর্টস রিপোর্টার, ত্রিবান্দ্রাম, কেরল থেকে ॥ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান। ত্রিবানদ্রাম আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘বি’র শেষ খেলায় সোমবার আফগানিস্তান ৪-১ গোলে মালদ্বীপকে বিধ্বস্ত করে তিন খেলায় নয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। ছয় পয়েন্ট নিয়ে মালদ্বীপ হয় রানার্সআপ। তিন পয়েন্ট নিয়ে এবং বিনা পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে বাংলাদেশ ভুটান আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছে।

মঙ্গল ও বুধবার খেলার বিরতি। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটায় প্রথম সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রথম সেমিফাইনাল খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ মালদ্বীপ। একই দিন সন্ধ্যা সাতটায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়বে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান বনাম ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ শ্রীলঙ্কা। ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

সোমবার আফগানিস্তান মালদ্বীপকে হারায়। আফগানিস্তানের ফয়সাল শায়েস্তেহ ২৯ মিনিটে, ওমিদ পোপালজেহ ৩৪ ও ৫৪ মিনিটে এবং আহমেদ হাতফি ৫১ মিনিটে মালদ্বীপের জালে বল জড়ান। মালদ্বীপের একমাত্র গোলটি করেন অলি ফাসির। এই আসরে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচগুলোতে মালদ্বীপ ৩-১ গোলে ভুটানকে, আফগানিস্তান ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে, মালদ্বীপ ৩-১ গোলে বাংলাদেশকে, আফগানিস্তান ৩-০ গোলে ভুটানকে, বাংলাদেশ ৩-০ গোলে ভুটানকে এবং আফগানিস্তান ৪-১ গোলে মালদ্বীপকে হারায়। সবচেয়ে বেশি গোল করেছে আফগানিস্তান, ১১টি। সবচেয়ে বেশি গোল হজম করেছে ভুটান, ৯টি। পক্ষান্তরে ‘এ’ গ্রুপের খেলাগুলোতে শ্রীলঙ্কা ১-০ গোলে নেপালকে, ভারত ২-০ গোলে শ্রীলঙ্কাকে এবং ভারত ৪-১ গোলে নেপালকে হারায়। সবচেয়ে বেশি গোল করেছে ভারত, ৬টি। সবচেয়ে বেশি গোল খেয়েছে নেপাল ৫টি। সব মিলিয়ে নেপাল এবং ভুটান কোন জয় বা পয়েন্ট পায়নি।

দক্ষিণ এশিয়ার এই ফুটবল টুর্নামেন্টে আধিপত্য ভারতেরই। ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু হওয়া সাফ ফুটবলে তারা সর্বোচ্চ ছয়বারের (১৯৯৩, ৯৭, ৯৯, ২০০৫, ০৯, ১১) চ্যাম্পিয়ন। বাকি চার আসরের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে চারটি দল। এরা হলোÑ শ্রীলঙ্কা (১৯৯৫), বাংলাদেশ (২০০৩), মালদ্বীপ (২০০৮) এবং আফগানিস্তান (২০১৩)। সবচেয়ে বেশিবার রানার্সআপ দলটিও ভারত। তিনবার ফাইনালে হেরেছে তারা (১৯৯৫, ২০০৮ ও ১৩)। মালদ্বীপও তাই (১৯৯৭, ২০০৩, ০৯)। দু’বার বাংলাদেশ (১৯৯৯ ও ২০০৫)। একবার করে শ্রীলঙ্কা (১৯৯৩) এবং আফগানিস্তান (২০১১)।

২০০৩ সালে প্রথম ও শেষবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ১৯৯৯ সালে ফাইনালে খেললেও সেবার শিরোপা জিততে পারেনি বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একমাত্র শিরোপাটি আসে ২০০৩ সালে মালদ্বীপকে হারিয়ে। ২০০৫ সালেও ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের কাছে ২-০ গোলে হেরে সেবার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি।