২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মহড়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আগুনের মহড়া দিতে গিয়ে আগুনের শিকার হয়েছে দমকল বাহিনী। এ আগুন নেভাতে গিয়ে পরে ডেকে আনা হয় আলাদা আরও দুটি ইউনিট। এমনই এক অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার রাজধানীর দিলকুশায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) ভবনে। অবশ্য দমকল বাহিনীর তরফ থেকে এ আগুনের সত্যতা অস্বীকার করে বলা হয়, এটা অগ্নি দুর্ঘটনা নয়, স্রেফ আগুনের মহড়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান-বেলা পৌনে ১১টার দিকে ভবনের সামনের অংশে হঠাৎ আগন দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় লোকজন এগিয়ে আসে। পরে জানানো হয় আগুনের মহড়া চলছে। কিন্তু হঠাৎ আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে ছাদের সামনের অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ভবনের কর্মচারী শফিক সাংবাদিকদের জানান, পূর্ব নির্ধারিত এ মহড়া ছিল রুটিন ওয়ার্ক। নিয়মিত অগ্নি নির্বাপনের মহড়ার অংশ হিসেবেই সকালে শুরু হয় আগুন লাগানো। এক পর্যায়ে তা হঠাৎ ভয়ানক আকার ধারণ করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ সময় জরুরী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। তারপর বেলা ১১টায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন জানান, এটা তেমন বড় কিছু নয়।

ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালকে নেপালের প্রশংসা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভূমিকম্প দুর্গতদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালকে প্রশংসাপত্র পাঠিয়েছে নেপাল সরকার। চলতি বছরের ২ মে থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত এশিয়া প্যাসিফিক এ্যালায়েন্সের সহযোগিতায় নেপালের কাভরিপালান চৌক জেলায় ভূমিকম্প দুর্গতদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন জরুরী ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল। মঙ্গলবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালের জরুরী মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা ভূমিকম্প দুর্গত এলাকার ৭১টি মাঠ ও কেন্দ্র ক্যাম্পে ৮ হাজারের বেশি রোগীকে সেবা প্রদান করেন। জনস্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয় প্রায় ৮ হাজার জনকে। ৮শ’ পরিবারে বিতরণ করা হয় পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট। দেড় হাজারের বেশি পরিবারকে বিতরণ করা হয় খাদ্য। আর থাকার ঘর নির্মাণ করা হয়েছে ৫০টি পরিবারের জন্যে।