১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে চাহিদামতো পুলিশ স্কট পাচ্ছেন না ম্যাজিস্ট্রেট

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ পৗর নির্বাচনে অপরাধ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনায় পুলিশী সহায়তা (স্কট) পাচ্ছেন না জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা। ফলে আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ম্যাজিস্ট্রেটরা। এ প্রেক্ষিতে বিষয়টি রাজশাহী পুলিশ সুপারের কার্যালয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচনী অপরাধ বিষয়ক বিচারিক আদালত পরিচালনার জন্য রাজশাহীর চীফ জুডিশিয়াল এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ১২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে সোমবার থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়োগ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার জন্য রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছানাউল্ল্যাহকে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত অস্ত্রধারী পুলিশের চাহিদাপত্র গত ২২ ডিসেম্বর প্রেরণ করেন পুলিশ সুপারের কাছে। চাহিদাপত্রের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, নির্বাচনী দায়িত্বে ইতোমধ্যে জেলা পুলিশের জনবল থেকে ৭০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পুলিশের সঙ্কুলান না হওয়ায় অন্য জেলা থেকে আরও পুলিশ মোতায়েনে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, জেলা পুলিশ লাইনসে বাড়তি জনবল না থাকায় স্বাভাবিক কাজকর্মে বিঘœ হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য জেলা সদর হতে কোন পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশ সুপারের এই পরিপত্রের প্রেক্ষিতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছানাউল্ল্যাহ সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব বরাবর রাজশাহী পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ফ্যাক্সযোগে অভিযোগ জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, পুলিশী সহযোগিতা ব্যতীত নির্বাচনী অপরাধ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত পরিচালনা সম্ভব নয়। আদালত পরিচালনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে চাহিদা মোতাবেক পুলিশ ফোর্স নিয়োগ করা পুলিশ সুপারের দায়িত্বের অন্তর্গত। তিনি তা না করে সরকারী কাজে অসহযোগিতা করার মানসিকতা পোষণ করেছেন, যা পক্ষান্তরে সরকারী কাজে বাধাদানের শামিল। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে জেলা পুলিশ সুপার নিসারুল হক বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য তিনি দু’জন করে কনস্টেবল পাঠিয়েছেন। তারা যদি নির্বাচনী এলাকায় আদালত বসান তবে সেই এলাকায় মোতায়েন ফোর্স তাদের সহায়তা করবে। জনবল কম থাকায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের চাহিদামতো একজন এসআইসহ ফোর্স দেয়া সম্ভব হয়নি। তাদের জানানো হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় যদি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তবে সেই এলাকার ফোর্স তাদের সহায়তা করবে।