২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি চলছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার॥ চট্টগ্রাম কাস্টমসের তিন কর্মকর্তাকে অপসারণসহ ১০ দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন চিটাগাং কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে কাস্টম হাউজে অবস্থান করে কর্মবিরতি পালন করলে শুল্কায়ন বন্ধ হয়ে যায়।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেলা পৌনে দুই টার দিকে কাস্টমস কমিশনার হোসেন আহমেদের সাথে সিএন্ডএফের প্রতিনিধিদল বৈঠকে বসেছে। বৈঠক শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে সিএন্ডএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

দাবীগুলো হলো, কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার মুবিনুল কবির, সহকারি কমিশনার আবু হানিফ আহাদ ও যুগ্মকমিশনার গিয়াস কামালের অপসারণ, কর্মশুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা না মেনে যথেচ্ছ মূল্য আরোপ, চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অসৌজন্যমূলক আচরণ, কায়িক পরীক্ষার নামে পণ্য নষ্ট-হয়রানি, বন্ডের আওতায় শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পের আমদানি পণ্যের পরীক্ষণের নামে পণ্য খালাসে বিলম্বসহ মোট ১০ দফা দাবি জানিয়েছেন সংঘঠনটি।

সংঘঠনটির কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক ওবাইদুল হক আলমগীর বলেন, কাস্টমস কর্মকর্তারা সিএন্ডএফ কর্মকর্তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ নানা ধরণের হয়রানি করে থাকে। শিল্প-কারখানার জন্য আমদানিকৃত যন্ত্রপাতিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকলেও এইচএস কোড পরিবর্তন করে বাড়তি শুল্ক আদায় করছেন। তাছাড়া পণ্য কায়িক পরীক্ষার নামে পণ্য নষ্ট করার পাশাপাশি সময় অবচয় করছেন। বিশেষ করে কাস্টমস হাউজের তিনজন কর্মকর্তা এসব হয়রানি করে থাকেন। তাদের অপসারণসহ ১০ টি দাবি জানানো হয়েছে। তা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের অতিরিক্ত কাস্টমস কমিশনার মো. আজিজুর রহমান জানান, ‘সিএন্ডএফ কর্মকর্তারা প্রায়-ই এমন দাবিতে কর্মবিরতিতে যান । তাদের অঘোষিত পণ্য কিংবা শুল্কমূল্য কম বা বেশি দেখানোর কারণে কোন চালান আটক করলে তারা কর্মকর্তাদের ‘দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা’ বলে থাকে। আজকের এ বিষয়টি নিয়ে কাস্টমস কমিশনারের সাথে বৈঠক চলছে। বৈঠক শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’