২৩ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজ শেষ চারের দ্বৈরথে আফগান লঙ্কা মুখোমুখি

স্পোর্টস রিপোর্টার, ত্রিবান্দ্রাম, কেরল থেকে ॥ প্রবাদ আছে, ‘মুকুট পরার চেয়ে তা ধরে রাখা কঠিন।’ চলমান ‘সাফ সুজকি কাপ’-এ আফগানিস্তানের পালা এখন তা ভুল প্রমাণ করার। সাফের বর্তমান শিরোপাধারী তারা। এবারই সাফে শেষবারের মতো খেলছে ‘দ্য লায়ন্স অব খোরাসান’ খ্যাত আফগানিস্তান। আগামী বছর থেকে তারা আর সাফ অঞ্চলে নয়, খেলবে আশিয়ান অঞ্চলের টুর্নামেন্টগুলোতে। তাই তারা শেষবার সাফে খেলাটা স্মরণীয় করে রাখতে চায় শিরোপাটা অক্ষুণœ রেখে। এজন্য তাদের টপকাতে হবে আরও দুটি বাধা। প্রথম বাধা সেমিতে। সে বাধার নাম শ্রীলঙ্কা। আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ শ্রীলঙ্কার।

এই আসরে গ্রুপ ‘বি’র ম্যাচগুলোতে আফগানিস্তান তাদের শুরুটা করে দারুণভাবে। ৪-০ গোলে বাংলাদেশকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করে তারা। দ্বিতীয় ম্যাচেও স্বচ্ছন্দে জেতে আফগানিস্তান। এবার তারা ৩-০ গোলে হারায় ভুটানকে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে আফগানরা ছিল আরও দুর্বার। এবার তাদের শিকার মালদ্বীপ। খেলার স্কোর ছিল ৪-১। দুই গ্রুপ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করেছে আফগানিস্তান, ১১। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন আফগানিস্তানেরই খাইবার আমিনি, ৩টি। পক্ষান্তরে ‘এ’ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা ১-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে শুভসূচনা করে, পরের ম্যাচে অবশ্য ভারতের কাছে ২-০ গোলে হেরে হোঁচট খায়। দক্ষিণ এশিয়ার এই ফুটবল টুর্নামেন্টে আধিপত্য ভারতেরই। ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু হওয়া সাফ ফুটবলে তারা সর্বোচ্চ ছয়বারের (১৯৯৩, ৯৭, ৯৯, ২০০৫, ০৯, ১১) চ্যাম্পিয়ন। সর্বাধিক রানার্সআপ দলটিও ভারত। তিনবার ফাইনালে হেরেছে তারা (১৯৯৫, ২০০৮ ও ১৩)। সেই পরাক্রম ভারতকে হারিয়েই ২০১৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফুটবলবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় আফগানরা। যদিও ২০১১ সাফেই চ্যাম্পিয়ন হতে পারত আফগানিস্তান। সেবারও ফাইনালে খেলেছিল তারা। কিন্তু হেরে যায় ভারতের কাছে। রানার্সআপ হলেও সেবারই তাদের আগমনী বার্তা পৌঁছে যায় সাফ অঞ্চলে।

১৫০ ফিফা র‌্যাঙ্কিংধারী আফগানিস্তান। শ্রীলঙ্কার র‌্যাঙ্কিং ১৯৪। হেড টু হেড পরিসংখ্যানেও এগিয়ে আফগানরা। সাতবারের মোকাবেলায় আফগানিস্তান জিতেছে ৫ ম্যাচেই, শ্রীলঙ্কা জিতেছে মাত্র ১ ম্যাচে, আর বাকি ম্যাচটি ড্র হয়। সাফে দু’দল সর্বশেষ মোকাবেলা করেছে ২০১৩ কাঠমান্ডু সাফে। সেবার গ্রুপ পর্বে দেখা হয়েছিল উভয় দলের। সেবার জয়ী হয়েছিল আফগানিস্তান, স্কোর ছিল ৩-১। ‘এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাই চলছে আমাদের। আশা করি সেমির ম্যাচেও তা অব্যাহত থাকবে। ফাইনালে খেলতে ছেলেরা মুখিয়ে আছে। এজন্য তারা কঠোর পরিশ্রম করছে। তবে তাই বলে আমরা শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করেই খেলব।’ ম্যাচে পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এমটাই বলেন আফগানিস্তানের জার্মান কোচ পিটার সেগরেট। পক্ষান্তরে শ্রীলঙ্কার কোচ সামপাথ পেরের কোলোমাগে বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আফগানিস্তান অনেক শক্তিধর প্রতিপক্ষ এবং তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। তাদের হারানো কঠিন। তবে আমরা জয়ের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’ শ্রীলঙ্কা সাফের ফাইনালে খেলেছে দুইবার।

জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবলের ফল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় এক্সিম ব্যাংক ২৬তম জাতীয় মহিলা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্বের খেলা গতকাল বুধবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

সকালের খেলায় বিজেএমসি ২৯-৫ গোলে ঢাকা জেলাকে পরাজিত করে। বিজয়ীদল প্রথমার্ধে ১৬-২ গোলে এগিয়ে ছিল। বিজেএমসির পক্ষে সাহিদা ৮ গোল এবং ঢাকা জেলার পক্ষে সামাহা ৩ গোল করেন। অপর খেলায় বাংলাদেশ আনসার ৩৫-১০ গোলে যশোর জেলাকে পরাজিত করে। বিজয়ীদল প্রথমার্ধে ১৯-৩ গোলে এগিয়ে ছিল। বাংলাদেশ আনসারের পক্ষে মাসুদা ১০ ও হ্যাপী ৬ গোল এবং যশোর জেলার পক্ষে টুম্পা ৬ গোল করেন। দুপুরে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ পুলিশ ১৭-১০ গোলে ঢাকা জেলাকে পরাজিত করে।

বিজয়ীদল প্রথমার্ধে ১০-৪ গোলে এগিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে হাসিনা ৬ গোল এবং ঢাকা জেলার পক্ষে সামাহা ৮ গোল করেন। অন্য ম্যাচে নওগাঁ জেলা ১৩-৭ গোলে যশোর জেলাকে পরাজিত করে। বিজয়ীদল প্রথমার্ধে ৮-৩ গোলে এগিয়ে ছিল। নওগাঁ জেলার পক্ষে নাজমীন আক্তার ও নূরজাহান ৪ গোল এবং যশোর জেলার পক্ষে তাহমিনা ৪ গোল করেন।

নির্বাচিত সংবাদ