১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পোল্ট্রি খাদ্যের ঘোষণায় চুনা পাথর ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট আমদানি

  • চট্টগ্রাম বন্দরে ১৮ কন্টেনার আটক

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বন্দরে পোল্ট্রি খাদ্যের ঘোষণায় আমদানি করা চুনা পাথর ও ক্যালসিয়াম কার্বনেট পাউডারের ১৮টি কন্টেনার আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চালানটি আটক করেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান সাংবাদিকদের জানান, চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম কোয়ালিটি ব্রাদার্স। আর খালাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের নাম স্বাধীন এন্টারপ্রাইজ। গত ২৮ ডিসেম্বর কাস্টমসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে ক্লিয়ারিং প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু এ চালানে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য থাকার তথ্য থাকায় এর খালাস কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। কাস্টম সূত্রে জানানো হয়, কন্টেনার থেকে পণ্যের নমূনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। এতে চুনাপাথর ও পটাশিয়াম কার্বনেট পাউডার থাকার বিষয়টি প্রমাণ হয়। ১৮টি কন্টেনারে আনা হয় ৫০৪ টন পণ্য। তবে ঘোষণার ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি বিপুল অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে। ঘোষিত আমদানি পণ্যের শুল্ক যেখানে মাত্র ৫ শতাংশ সেখানে আমদানি পণ্যের শুল্ক যথাক্রমে ৩১ এবং ৩৭ শতাংশ। এ ব্যাপারে কাস্টম এ্যাক্ট অনুযায়ী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ভরাডুবি যে কারণে-

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ॥ সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে মেযরপদে ৪ জনের মধ্যে ৪র্থ স্থান অধিকারী আওয়ামী লীগ পরাজিত প্রার্থী তার ভরাডুবির জন্য দলের জেলা সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ প্রশাসনকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে ফলাফল বাতিল ঘোষণা করে পুনর্নির্বাচন দাবি করে তার এ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী দলের নেতাদের বহিষ্কার এবং পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন তিনি। সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়ে কেন্দ্রে নাম পাঠানো হয় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের নাম। কিন্তু কেন্দ্রের চূড়ান্ত মনোনয়নে সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেনকে মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্র্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়। কেন্দ্রের এ মনোনয়নে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মীরা সরাসরি বিরোধিতা না করলেও ভোটের ফলে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী শাহাদাত হোসেন চার প্রার্থীর মধ্যে সর্বনি¤œ ৯০৭২ ভোট পেয়ে ৪র্থ স্থান লাভ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাত হোসেন বলেন ভোটের আগের রাতে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ গাড়ি নিয়ে ৩১টি কেন্দ্রে গিয়ে আওয়ামী লীগের পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলে দেন। তার অভিযোগ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নির্বাচনের ছয়দিন আগে সাতক্ষীরা থেকে চলে যান। সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাত হোসেন আরও অভিযোগ করেন ফিরোজ আহমেদ নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করে লাঙ্গলে ভোট দেয়ার জন্য প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তিনি বলেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় নেতা অধ্যাপক আবু আহমেদ স্বতন্ত্র প্রার্থী মিঠু খানের পক্ষে কাজ করেছেন। তিনি কোন কোন স্থানে লাঙ্গলের পক্ষেও ভোট চেয়েছেন। অবশ্য তিনি সংবাদ সম্মেলনে কোন লিখিত বক্তব্য দেননি।