১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে মুক্তাগাছা ও ফুলপুরে আ’লীগের পরাজয়

বাবুল হোসেন, ময়মনসিংহ ॥ চরম দলীয় কোন্দল আর একাধিক প্রার্থীর কারণেই দুটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের ভরাডুবি ঘটেছে। ময়মনসিংহের নয় পৌরসভার মধ্যে মুক্তাগাছা ও ফুলপুরে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তবে অপর সাত পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। আর ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, শেরপুর ও জামালপুরের অপর ১৫ পৌরসভার সবটিতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা। নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মূল্যায়নে এ তথ্য এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে মুক্তাগাছা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পান একাধিকবারের নির্বাচিত মেয়র আব্দুল হাই আকন্দ। এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন মুক্তাগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার। তিনি মেয়রপদে মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছিলেন। শেষপর্যন্ত মনোনয়ন না পেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তবে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র দাবি করে এ পৌরসভায় মেয়রপ্রার্থী হন মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী।

বাপ্পী জানান, এর আগে দল থেকে তাকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। পরে সেটি বিবেচনা না করায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। বিপরীতে বিএনপি, জাপা ও জাসদ থেকে একক প্রার্থী লড়েন নির্বাচনী যুদ্ধে। ফলাফলে দেখা গেছে, মুক্তাগাছা পৌরসভায় বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ৯২৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আব্দুল হাই আকন্দ পান ৩৯১৯ ভোট ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী পান ৫০৭৯ ভোট। ফুলপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান যুবলীগ নেতা শশধর সেন।

দিনাজপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ বিএসএফের গুলিতে বৃহস্পতিবার ভোরে দিনাজপুরে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বিএসএফ-বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠকে লাশ হস্তান্তরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় সদর উপজেলার বড়গ্রাম সীমান্তের চিনাপাড়ায় সীমান্ত পিলার নং ৩১২/ সাবপিলার ৫-এর কাছে এ ঘটনা ঘটে। ভারতের ৪১ বিএসএফের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার এলেন্দার ক্যাম্পের সদস্যদের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান (৩০) গুরুতর আহত হন। ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের হাসপাতালে ভর্তির পর সকাল ৭টায় তার মৃত্যু হয়। নিহত নুরুজ্জামান দিনাজপুর সদর উপজেলার বড়গ্রামের শহিদুর রহমানের পুত্র।