২১ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মেয়র প্রার্থীকে হারানোর অভিযোগ ॥ পাবনা অচল করার হুমকি

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ৩১ ডিসেম্বর ॥ জেলা আওয়ামী লীগ প্রশাসনিক ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে পাবনা পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে হারানোর অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগে জানানো হয়েছে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বিপুল টাকার বিনিময়ে স্বতন্ত্র মেয়র কামরুল হাসান মিন্টুর পক্ষে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। জেলা প্রশাসক আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ঝুঁকি দেখিয়ে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। সকালে ভোট শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লাইব্রেরি বাজার, জেলা স্কুল, ইছামতি স্কুল, জিসিআই স্কুল, হোমিওপ্যাথি কলেজ, ইমাম গাজ্জালী স্কুল এ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব আওয়ামী লীগ ভোটারদের নির্বিচারে পিটিয়ে গুরুতর আহত করাসহ ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক আতঙ্কিত পরিবেশ সৃষ্টি করে। কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর এজেন্টকে পুলিশ, বিজিবি পিটিয়ে আহত করে। ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আজিজ, মামুনসহ অন্তত ৩০ নেতাকর্মীকে পুলিশ বিজিবি নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে। এর মধ্যে গুরুতর আজিজ মামুনসহ কয়েকজনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ আতঙ্কিত পরিবেশে অনেক ভোটারই ভোটকেন্দ্রে আসতে সাহস পায়নি। অভিযোগ উঠেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সংখ্যালঘু ভোটারদেরও কৌশলে পিটিয়ে কেন্দ্র ছাড়া করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। নেতৃবৃন্দ এ নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অপসারণ দাবি করেছেন। অবিলম্বে এ দাবি মানা না হলে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচীর মাধ্যমে পাবনাকে অচল করার হুমকি দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু, সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, এ্যাড. বেলায়েত আলী বিল, আজমত আলী বিশ্বাস, তোজাম আলী মাস্টার, আমজাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থীর সমর্থকরা দুপুরে ভোট বাতিলের দাবিতে পাবনা টার্মিনাল মহাসড়ক প্রতীকী অবরোধও পালন করে।