২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৭ বার কাউন্সিলর হলেন তোতা

  • কুড়িগ্রাম পৌরসভা

রাজু মোস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম ॥ কুড়িগ্রাম পৌরসভায় আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী রোস্তম আলী তোতা। টানা সাতবারের মতো বিজয়ী হয়ে কুড়িগ্রাম পৌরসভার ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। তিনি দুই হাজার ৩শ’ ৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারাফাত হোসেন চৌধুরী বিপ্লব পেয়েছেন ৬০১ ভোট। অপর প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজার রহমান পাভেল পেয়েছেন ১৩৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াফত হয়েছে। বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুশল বিনিময় শুরু করেছেন। তিনি জানান, মানুষের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্কই তার প্রধান শক্তি।

কুড়িগ্রাম পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৬০ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র তোতার পোস্টারে প্রার্থীর ছবি ছিল না। এ নিয়ে মানুষের কৌতূহল ছিল। কিন্তু তোতার সাফ কথা, ছবি নয় নাম ও কাজে পরিচয়। ১৯৮১ সাল থেকে টানা সাতবার তিনি নির্বাচিত হয়ে ৩নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে রয়েছেন। তবে এটি তার অষ্টম নির্বাচন। ’৭৯ সালে কাউন্সিলর পদে উপনির্বাচনে একবার ভোট করে পরাজিত হন। এই পরাজয় যে শিক্ষা দিয়েছে, তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিতে পেরেছেন। প্রতিবারই সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে আসছেন। শিশু সংগঠন মুকুল ফৌজের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সামাজিক কাজের সূচনা তার। এখন শিশু, নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ সবার সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক।

৬১ বছর বয়সী তোতা প্রথম পরাজয়ের পর বুঝতে পারেন মানুষের ভালবাসা অর্জন ছাড়া জনপ্রতিনিধি হওয়া সম্ভব নয়।

নলছিটির ৯নং ওয়ার্ডে পুনর্ভোট দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝালকাঠি, ৩১ ডিসেম্বর ॥ নলছিটি পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের শংকরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থক কাউন্সিলর জামাল উদ্দিনের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে এই ওয়ার্ডের ৩ জন সাধারণ কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন, মোশারেফ হোসেন, দেলোয়ার হোসেন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুন্নাহার নির্বাচন বয়কট করেছেন।

এ ব্যাপারে এই ৪ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। এরা অভিযোগ করেছে এই প্রার্থীদের ভোটার-সমর্থকদের প্রশাসনের সহায়তায় জামাল উদ্দিন আহম্মেদ বের করে দিয়ে তার প্রতীক টেবিল লাইটে সিল মেরেছে।

বুধবার সকাল ১০টায় এই ঘটনার পর এই ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তারা নির্বাচন বয়কট করেন। এ ৪ কাউন্সিলর এই কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিল করে পুনর্ভোট গ্রহণের দাবি করেছে।