২৪ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের রক্তক্ষয়ী অভিযান

তুরস্কের অস্থির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি জঙ্গীদের নির্মূলের জন্য বড় ধরনের এক সামরিক অভিযানে কয়েক ডজন শহুরে এলাকায় রক্তক্ষয়ী রণাঙ্গনে পরিণত হয়েছে। পুরনো সংঘাত দু’দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পর্যায়ে চলে যাওয়ায় লাখ লাখ বেসামরিক নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা গুঁড়িয়ে গেছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস অনলাইনের।

মানবাধিকার গ্রুপগুলোও স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, তুর্কি ট্যাঙ্ক ও কামানগুলো গত সপ্তাহে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে কুর্দি লক্ষ্যবস্তুর ওপর বোমাবর্ষণ করেছে, তাতে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ২শ’ জঙ্গী ও ১শ’ ৫০ য়ের বেশি বেসামরিক নাগরিক। জনবহুল এলাকাগুলোতে লড়াই ও গণহত্যার বর্ণনায় রণাঙ্গনের চিত্র ফুটে ওঠে এবং তা উত্তরে পার্শ্ববর্তী সিরিয়ায় রণাঙ্গনের মতোই। কুর্দিরা ভৌগোলিকভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। তারা স্বায়ত্তশাসনের আকাক্সক্ষা পোষণ করে আসছে কয়েক দশক ধরে। তুরস্কের সঙ্গে তাদের সংঘাত এক বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ সংঘাত সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনের পরিস্থিতির কারণে আলোড়ন তুলেছে এর মধ্যেই। কুর্দি জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকের বাস ন্যাটো সদস্য ও আমেরিকান সহযোগী তুরস্কে। কুর্দি জঙ্গী ও তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি শহরে মানুষের চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এবং অনেক বাসিন্দা খাদ্য ও বিদ্যুত না পেয়ে বন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির জঙ্গীরা ট্রেঞ্চ খনন করে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করছে এবং তুর্কি পুলিশকে প্রতিহত করতে ভারি অস্ত্র ও রকেট লাঞ্চার ব্যবহার করছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ কথা বলেছেন। কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি জুলাইয়ে দু’বছরের যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটালে দলটির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে সরকার।

পাক-আফগান সীমান্তে চালু হলো হটলাইন

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে দুই দেশের মধ্যে হটলাইন চালু করা হয়েছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সীমান্তে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মতো লাইনটি দুই দেশের মধ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহিল শরীফের কাবুল সফরের সময় এ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে ঐকমত্য হয়। তালেবানের হুমকি যত বাড়ছে দেশ দুটির নিরাপত্তার জন্য ততই নিত্যনতুন ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছে তারা। ডিসেম্বরের শুরুতে সহিংসতা বৃদ্ধির জন্য আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গীগোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেন। খবর বিবিসির।