১৭ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাকিস্তান ওয়ানডে ও টি২০ দলে ফিরলেন আমির

স্পোর্টস রিপোর্টার॥ সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। যারা বিরোধীতা করেছেন তাদের মুখ কালো করে দিয়েছেন। নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে পাকিস্তান জাতীয় দলে আবার ফিরেছেন ২৩ বছর বয়সী তরুন পেসার মোহাম্মদ আমির। দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পর তিনি আবার পাকিস্তান দলে ঠাঁই পেলেন। আগামী মাসে পাকিস্তানের নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ঘোষিত ওয়ানডে ও টি২০ দলে তাঁকে রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নির্বাচক প্যানেল। জাতীয় দলেই তাঁর তীব্র বিরোধী দুই ক্রিকেটার আজহার আলী ওয়ানডের অধিনায়ক এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ দু’জনই এখন আমিরের সতীর্থ হিসেবে খেলবেন। অভিজ্ঞ পেসার উমর গুলও টি২০ দলে ফিরেছেন আবার। নিউজিল্যান্ড সফরে ৩ টি২০ ও ৩ ওয়ানডে খেলবে পাকিস্তান। ১৫ জানুয়ারি প্রথম টি২০ দিয়ে শুরু হবে সিরিজ।

২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরটা ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিভীষিকাময় অধ্যায় ছিল আমিরের জন্য। ওই সফরের টেস্ট সিরিজে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই কলঙ্কে দোষী সাব্যস্ত হন আমির ছাড়াও তখনকার অধিনায়ক সালমান বাট ও পেসার মোহাম্মদ আসিফ। সবাই বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করার পাশাপাশি আইসিসির কাছ থেকে সব ধরণের ক্রিকেটে ৫ বছরের জন্য নির্বাসিত হয়েছিলেন। তবে সে সময় মাত্র ১৮ বছর বয়সের আমির একাই শুধু বিচার চলাকালীন নিজের দোষ স্বীকার করে জাতির কাছে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেছিলেন। বয়স কম থাকার কারণে, দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা ও লজ্জা প্রকাশের জন্য সবারই সহমর্মিতা পেয়েছেন আমির। এছাড়াও পূনর্বাসন প্রক্রিয়ার অধীনে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন আমির। সে কারণে তাঁর ওপর সন্তুষ্ট পিসিবি। কিন্তু প্রথমবার জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েই বিতর্ক জন্ম দেন আমির। কেউ তাঁকে আবারও ফিরে চায়, আবার কেউ তাঁকে না ফেরানোর পক্ষে। আর বর্তমান জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে অধিনায়ক আজহার আলী ও মোহাম্মদ হাফিজ তো পুরোপুরিই আমিরকে মেনে নিতে পারেননি। এ কারণে দলের ফিটনেস ক্যাম্প বয়কটও করেছিলেন দু’জন। যদিও পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান এ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলে রাজি করান পুনরায় ক্যাম্পে যোগ দেয়ার জন্য এবং আজহার-হাফিজও সম্মত হন। এছাড়াও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আমিরের জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার বিরুদ্ধে আদালতে করা রিট। এক আইনজীবি আমিরের জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়ার বিষয়টির ওপর স্থগিতাদেশ ও কতটা যৌক্তিক তা জানতে চেয়ে রিটও করেন। তবে আদালতও সেটা খারিজ করে দেয়