১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঠাকুরগাঁও বিদ্যুত বিভাগের কোটি টাকার মালামাল লোপাট

নিজস্ব সংবাদদাতা , ঠাকুরগাঁও, ১ জানুয়ারি ॥ টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি মালামালের সাথে মন্ত্রীর ভাইয়ের দোহাই দিয়ে টেন্ডার হয়নি এমন প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল অবৈধভাবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, ১৯৬২-৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত উত্তরাঞ্চলের প্রথম ঠাকুরগাঁও ডিজেল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি খুচরা যন্ত্রাংশের দু¯প্রাপ্যতা এবং কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বন্ধ হয়ে যায়। ১০ দশমিক ৫মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধের সময় সাতটি জেনারেটর, একটি ওয়ার্কসপ এবং ভান্ডারে বিপুল পরিমান মালামাল ছিল। এ মালামাল দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর টেন্ডারের মাধ্যমে সেনা কল্যাণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। ১৬ নবেম্বর হতে ক্রেতাপক্ষ পরিত্যক্ত বিদ্যুত উপকেন্দ্র থেকে মালামাল নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে এবং তা ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত চলে।

উক্ত মালামাল নেয়ার সময় ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তারা অত্যন্ত সুকৌশলে ঢাকা থেকে আগত ডেলিভারি টিমের সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একই ছাদের নিচে রক্ষিত চলতি বছর ৩০ জুন বন্ধ ঠাকুরগাঁও বিদ্যুত বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের একটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের সম্পূর্ণ মালামাল এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাইরে অপর আর একটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের সম্পূর্ণ মালামাল, ১টি ৫এম ভি এ ট্রান্সফরমার, দুই উপকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সকল প্যানেল বোর্ড, প্রায় ৪০০ ফুট এইচ টি ক্যবল, বিপুল পরিমাণ এল টি ক্যাবল বিক্রি করে দেয়।

টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি মালামালের তালিকায় ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কোন উপকেন্দ্রের মালামাল কিংবা ট্রান্সফরমারের নাম না থাকার পরেও কি ভাবে কোন প্রক্রিয়ায় ওই মালামাল দেয়া হলো জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর মাহফুজুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাম্পাসের ভেতরের সকল মালামাল টেন্ডার হয়েছে। মালামালের তালিকা দেখতে চাইলে তিনি বা ক্রেতাপক্ষের কোন প্রতিনিধি তা দেখাতে পারেননি।