২১ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিটিভিতে কাল ‘ইত্যাদি’

বিটিভিতে কাল ‘ইত্যাদি’

সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ধারণ করা ‘ইত্যাদি’র একটি নিয়মিত পর্ব আগামীকাল রবিবার রাত ১০টার ইংরেজী সংবাদের পর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দর ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে প্রধান্য দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শিল্পী নির্বাচনও ছিল চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর ‘ইত্যাদি’র এই পর্বে রয়েছে কিছু মানবিক ও শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। যশোরের ভ্যানচালক মনোয়ার হোসেনের ওপর একটি হৃদয়ছোঁয়া প্রতিবেদন রয়েছে, যিনি ইট ভেঙ্গে, ভ্যান চালিয়ে নিজের যাতায়াত ভাড়া সংগ্রহ করে স্কুলে স্কুলে যান এবং খেলা দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত অর্থে তিনি স্কুলে স্কুলে দরিদ্র তহবিল গঠন করেন, যার মাধ্যমে দরিদ্র শিশু-কিশোরদের সাহায্য করা হয়। এভাবে মনোয়ার হোসেন প্রায় ৪৫০টি স্কুলে দরিদ্র তহবিল গঠন করেন।

‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে তাকে এক লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়। মিরপুরের সিদ্ধান্ত হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেনের ওপর রয়েছে আরেকটি শিক্ষামূলক প্রতিবেদন, যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কিশোর বয়সে একই স্কুলে দফতরির কাজ করেছেন। এছাড়াও সৃজনশীল কাজে নিয়োজিত মুন্সীগঞ্জের আনোয়ার ও হিলার্স নামক একটি সংগঠনের ওপর দুটি প্রতিবেদন রয়েছে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দুটি গান রয়েছে। একটি পরিবেশন করেন নকীব খান, পার্থ বড়ুয়া ও রবি চৌধুরী। আরেকটি গানের চিত্রায়নে অংশ নেন মডেল নোবেল ও নওশিন। এছাড়াও মোঃ রফিকউজ্জামানের কথা ও আলী আকবর রুপুর সুরে বন্দরকে নিয়ে একটি গান পরিবেশন করেন কুমার বিশ্বজিৎ।

‘ইত্যাদি’র এই পর্বে দর্শক বাছাই করা হয়েছে চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে নিয়ে করা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে। নির্বাচিত দর্শকদের নিয়ে চট্টগ্রামের কিছু জনপ্রিয় গান দিয়ে সাজানো হয়েছে দ্বিতীয় পর্ব। এই পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন চট্টগ্রামের তিনজন শিল্পী- সৈকত দাস, সন্জীত আচার্য ও কল্যাণী ঘোষ। রয়েছে যথারীতি মামা-ভাগ্নে ও নানী-নাতি পর্ব। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্রƒপাত্মক নাট্যাংশ। ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। একযোগে পুনঃপ্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে। ‘ইত্যাদি’ স্পন্সর করেছে কেয়া কস্মেটিকস্ লিমিটেড।

প্রসঙ্গত, কয়েক হাজার দর্শক নিয়ে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে কর্ণফুলী নদীর তীরে বন্দরের ১৩নং জেটিতে অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয়। এটিই ছিল চট্টগ্রাম বন্দরে দর্শক উপস্থিতিতে ধারণ করা প্রথম কোন টেলিভিশন অনুষ্ঠান।