২৪ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নতুন বছরে বশ্বি র্অথনীতি নয়িন্ত্রণ করবে চীন

র্অথনতৈকি রপর্িোটার ॥ র্অথনতৈকি ভবষ্যিদ্বাণী করা আর খলো শুরু হওয়ার আগে এর ফলাফল বলে দয়ো সমান কথা। দুই ক্ষত্রেইে ফলাফল ভবষ্যিদ্বাণী অনুযায়ী না হওয়ার সম্ভাবনাই র্সবাধকি। তবে র্সবশষে র্অথনতৈকি মন্দা পরস্থিতিি মোকাবলো করতে গয়িে অন্তত এটা উপলব্ধি হয়ছেে য,ে যতই উন্নত মডলে অনুসরণ করা হোক না কনে, যে কোনো মুর্হূতে ওই মডলে ভুল প্রমাণতি হতে পারে এবং গোটা ব্যবস্থা ভঙেে পড়তে পার।ে র্অথনীতরি এ রকম নাজুক পরস্থিতিি ববিচেনায় আগামী ২০১৬ সালটি বশ্বৈকি র্অথনীতরি ক্ষত্রেে কমেন হতে পারে সে বষিয়ে কছিু ধারণা তুলে ধরার চষ্টো করা হলো। তবে শুরুর আগইে এটা বলে দয়ো যায়, আগামী বছর বশ্বৈকি র্অথনীতরি জন্য বশে গুরুত্বর্পূণ ও টালমাটালময় পরস্থিতিি অপক্ষো করছ।ে

কি ঘটতে পার?ে স্থায়ী সম্পদরে মূল্য বৃদ্ধ,ি ব্যক্তগিত উর্পাজন কমে যাওয়া থকেে শুরু করে ব্যক্তগিত ঋণরে পরমিাণ বড়েে যতেে পারে বশ্বিব্যাপী। আর এই তনিটি ঘটনা একযোগে ঘটলে এমনতিইে র্অথনতৈকি মন্দা পরস্থিতিি শুরু হয়ে যতেে পার।ে চলতি বছররে র্অথনতৈকি সমস্যাগুলোর সমাধান না হওয়ার কারণে বছররে শুরুর মাসগুলোতইে এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে বশ্বি। আর সমস্যা যদি মাসরে শুরুতইে আক্রমণ করতে শুরু কর,ে তাহলে গোটা বছরই সইে সমস্যা টনেে যতেে হবে শয়োরবাজার, মুদ্রাবাজার ও রাজস্ব খাতরে র্সবত্র।

আগামী বছররে র্অথনতৈকি বর্পিযয়রে মূল কারণ হবে তলেরে দাম কমে যাওয়া। ২০০৪ সালরে পর র্বতমান সময়রে মতো আর অপরশিোধতি তলেরে দাম এত কম দখো যায়ন।ি বশ্বৈকি র্অথনীততিে এই ঘটনার দুটো দকি রয়ছে।ে প্রথমত, গৃহাভ্যন্তরীণ, ব্যবসায়কি এবং জ্বালানি খাতে অধকি ব্যয় বড়েে যাব।ে দ্বতিীয়ত, প্রথম কারণে অতদ্রিুত মুদ্রাস্ফতিী দখো দবে।ে আর এই মুদ্রাস্ফীতরি কারণে ২০১৩ সালে গ্রীসরে মতো যদি আরও কয়কেটি দশে র্অথনতৈকিভাবে দউেলয়িা হয়ে যায় তাহলওে অবাক হওয়ার কছিু থাকবে না। কারণ তলেরে দাম কমে যাবার কারণে ডলাররে দাম ক্রমশ কমতরি দকিে এবং মানুষরে জীবনযাত্রার ব্যয় রাতারাতি বড়েে যাচ্ছ।ে এমতাবস্থায় ভোগ্যপণ্য তো দূররে কথা, সরকারী চাকরজিীবীদরে বতেনাদি নয়িওে সমস্যা শুরু হতে পার।ে

ভোক্তাদরে মধ্যে সবসময় কম দাম দখার একটা প্রবণতা আছ,ে আর এটা খুবই স্বাভাবকি। কন্তিু একটু খয়োল করলে দখো যাব,ে র্বতমানে বশ্বৈকি র্অথনীতরি এমন অবস্থা যে পণ্যরে দাম কম হওয়ার পরওে তা ভোক্তার ক্রয় সাধ্যরে মধ্যে থাকছে না। অথচ সপ্তাহান্তে অথবা মাসান্তে ঠকিই মোটা অঙ্করে র্অথই তনিি উর্পাজন করছনে। র্অথাৎ উর্পাজনরে সঙ্গে ব্যয়রে যে অসামঞ্জস্য তা এখন আর অগোচরে নইে। এশয়িার বাজারে সমস্যাটি অতটা প্রকট না হলওে, আগামী ২০১৬ সালে যে এশয়িা আক্রান্ত হবে না তা বলা মুশকলি। ২০১৪ সালরে আগস্ট মাস থকেে গত ১৬ মাসে অপরশিোধতি তলেরে দাম ১১৫ ডলার থকেে দফায় দফায় কমছে।ে আর র্সবশষে তথ্যানুযায়ী, র্বতমানে এক ব্যারলে তলেরে দাম পড়ছে মাত্র ত্রশি ডলার।

তলেরে বাজাররে এই অবস্থায় আমরা কন্তিু ওপকে কংিবা অন্যান্য সংস্থাগুলোকে প্রায় নষ্ক্রিয়ি অবস্থায় দখেতে পাচ্ছ।ি আর তাদরে এই নষ্ক্রিয়িতার কারণে তলে উৎপাদনকারী দশেগুলো প্রচুর পরমিাণে তলে উত্তোলন করছে এবং বশ্বিরে বভিন্নি বাজারে সইে তলে ছড়য়িে দচ্ছি।ে আশা করা যাচ্ছ,ে আগামী বছররে শুরুর দকিইে ব্যারলেপ্রতি তলেরে দাম ত্রশি ডলাররেও কমে যাব।ে এ কারণে যে মুদ্রাস্ফীতরি সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় ব্যাংকগুলো চরম মার খতেে শুরু করব,ে তাতে লাভবান হবে বভিন্নি আর্ন্তজাতকি ব্যাংক, যারাই মূলত পলসিি তরৈি কর।ে

ইউএস ফডোরলে রজর্িাভ, দ্য ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ইউরোপয়িান সন্ট্রোল ব্যাংক জোর দয়িে বলছে য,ে তারা সামগ্রকি তলেরে দাম কম-বৃদ্ধরি দকিে খয়োল রাখছ।ে এমতাবস্থায় এই ব্যাংকগুলো মূল মুদ্রাস্ফীতরি ওপর ভত্তিি করে নতুন সুদরে হার নর্ধিারণ করার কথা ভাবছ।ে আর তা যদি হয়, তাহলে খুব জলদইি জ্বালানি এবং খাবাররে মূল্য বাড়বে বশ্বিব্যাপী। কন্তিু কথা হলো, রাতারাতি সূদরে হার বাড়ানো খুব কঠনি কাজ। কারণ এর আগইে ব্যাংকগুলোর জানা হয়ে গছেে য,ে মুদ্রাস্ফীতি শুরু হলে তলেরে দামও কমে যায় এবং এর প্রভাব বশে আগ্রাসী। সমস্যা শুরু হওয়ার আগরে বছরগুলোতে যুক্তরাজ্যরে মুদ্রাস্ফীতরি হার ছলি দুই শতাংশ। সইে সময় দশেীয় উর্পাজন খাত থকেে ওই মুদ্রাস্ফীতি মোকাবলোয় চার শতাংশ সুদ হার বাড়াতে হয়ছেলি। আর র্বতমানে যহেতেু এই মুদ্রাস্ফীতরি হার শূন্য শতাংশ, তাই তারা চাইলওে দুই শতাংশ সুদরে হার বাড়াতে পারবে না।

অন্তত উপররে আলোচনার সূত্র ধরে এটা বলা যায় য,ে আগামী বছররে শুরুর দকিে মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদরে হার কম থাকব,ে যহেতেু তলেরে দাম কম। এখানে উল্লখে করা প্রয়োজন, চলতি বছরে গত এক দশকরে মধ্যে এই প্রথম ফডোরলে রজর্িাভ ব্যাংক সুদরে হার বাড়য়িছে।ে কন্তিু আগামী পদক্ষপেটি কি হবে সটো নর্ভির করছে র্সাবকি পরস্থিতিরি ওপর, যদওি এটা বাস্তবে প্রয়োগ করা ভয়াবহ ব্যাপার। দ্য ব্যাংক অব ইংল্যান্ডও তাদরে সাবকে অবস্থানইে ফরিে গছে,ে কারণ সস্তা র্অথ মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদরে হারকে পুষ্ট করছ।ে

নয়িন্ত্রণ থাকবে কার হাত?ে অনকে র্অথনীতবিদিরে মত,ে আগামী বছরটি হলো এশয়িার ক্ষমতাধর দশে চীনরে।