২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টমেটোতে ভাইরাস

  • বাগেরহাটে কৃষক সর্বস্বান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ সবজি চাষে খ্যাত চিতলমারীতে ভাইরাসে টমেটো ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে টমেটো চাষ করে শত শত চাষী এখন দিশেহারা। উপজেলার বড়বাড়িয়া, কলাতলা, হিজলা, শিবপুর, চিতলমারী সদর, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ চিংড়ি ঘেরের পাড় ও ফসলি জমিতে এ বছর ব্যাপক টমেটোর চাষ করা হয়েছে। টমেটো চাষ লাভজনক হওয়ায় ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখেন এখানকার চাষীরা। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। এলাকার অধিকাংশ টমেটো ক্ষেতে এখন ব্যাপকভাবে ভাইরাস দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষেতের গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে শত শত চাষী এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে চিংড়ি চাষ করে প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে এখানকার চাষীদের। কিন্তু সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষের মাধ্যমে লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠলেও এ বছর টমেটো চাষ করে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। ফলে দেনার দায়ে জর্জরিত অনেক চাষী এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

উপজেলার গরীবপুর গ্রামের টমেটো চাষী কালিদাস জানান, তিনি ৪ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছেন, তার পুরো ক্ষেতের গাছ ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এছাড়া ওই গ্রামের সুভাষ সিংহের আড়াই বিঘা, তাপস ম-লের ৩ বিঘা, বিষ্ণু ম-লের ৪ বিঘা, চিন্ময় ম-লের ১ বিঘা, সৈয়দ আলীর ৩ বিঘাসহ শত শত চাষীদের ক্ষেতের একই অবস্থা দেখা দিয়েছে। টমেটো চাষী তাপস ম-ল ও কালিদাস জানান, বিভিন্ন এনজিও, ব্যাংক ও সুদেকারবারীদের কাছ থেকে অধিক মুনাফায় টাকা এনে চাষাবাদে ব্যয় করেছেন; কিন্তু এখন ক্ষেতের গাছ মরে যাওয়ায় দেনা শোধ দেয়ার মতো কোন উপায়ান্ত দেখছেন না তারা। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষি অফিস চাষীদের কোন প্রকার সহযোগিতায় হাত বাড়ায় না বলেও অভিযোগ এসব চাষীর। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাসান জানান, ভাইরাসে টমেটো গাছ মারা যাওয়ার মতো কোন খবর তার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সান্তাহারে আওয়ামী লীগ নেতার কা-

নিজস্ব সংবাদদাতা, সান্তাহার, ২ জানুয়ারি ॥ নৌকা মার্কায় ভোট না দেয়ার মনগড়া অভিযোগে লেপ-তোষকের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে শনিবার দুপুরের দিকে সান্তাহার পৌর এলাকার মিনিবাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনে দোকানের লেপ-তোষকসহ বেশ কিছু তুলা পুড়ে যায়। পরে দোকানী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। দোকান মালিক রোস্তম ইসলামের অভিযোগে জানা গেছে, বুধবার অনুষ্ঠিত পৌরসভা ভোটের ফলাফলে পরাজয়ের পর থেকে পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আসলাম সিকদার হুমকি দিয়ে আসছিল। হুমকিতে সে বলে, তুই ধানের শীষে ভোট দিয়েছিস, তোর দোকান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হবে। এরই একপর্যায়ে শনিবার দুপুরে আসলাম সিকদার নিজে বোতলে করে পেট্রোল নিয়ে এসে তার দোকানে ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে আসলাম সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।