১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লক্ষ্মীপুর ও কালকিনিতে সংঘর্ষ ॥ আগুন, ভাংচুর আহত ২৬

  • নির্বাচনোত্তর সহিংসতা

নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর, ২ জানুয়ারি ॥ পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জ পৌরসভার আঙ্গারপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টাধাওয়ায় ৮ নেতাকর্মী আহত হয়। উত্তেজিত নেতাকর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ৪-৫টি দোকান ভাংচুর করে। শুক্রবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি এমরান হোসেন বাচ্চু ও পৌর কমিটির সভাপতি সোহেল চৌকিয়ার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ছাত্রলীগ নেতা এরমান হোসেন বাচ্চুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ নিয়ে দু’পক্ষের নেতাকর্মী মুখোমুখি অবস্থান করছে। এমরান হোসেন বাচ্চু পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে হেরেছেন। আহসান হাবীব নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগ নেতা সোহেল চৌকিয়া নির্বাচনে আহসান হাবীবের হয়ে কাজ করেছেন। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাত ৯টার দিকে ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ও আশপাশ এলাকায় এমরানের অনুসারীরা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়ে।

নিজস্ব সংবাদদাতা কালকিনি, মাদারীপুর থেকে জানান, পৌরসভা নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর বি এম তোফাজ্জেল হোসেন দাদন ও প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেনের সমর্থকের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৮ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধায় এ ঘটনা ঘটে এবং আহতদের কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় উভয়পক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। জানা গেছে, নির্বাচনে দাদন বিজয়ী হলে তার সমর্থকদের সঙ্গে পরাজিত প্রার্থী মোঃ তোফাজ্জেল হোসেনের সমর্থকদের কথা কাটাকাটি নিয়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর সূত্রধরে একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এখনও উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। অপরদিকে একেই সময় পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী আকমল হোসেনের সমর্থকরা বিজয়ী প্রার্থী নাসির শিকদারের সমর্থক এমিল হোসেনসহ কয়েকজনকে মারধর করে।