২৩ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাহসিনী বটে!

সাহসিনী বটে!

ভারতের উত্তরখ- রাজ্যের পাউরি জেলার ছবির মতো সুন্দর গ্রাম ব-ুল। রাত নামলেই এই পাহাড়ী গ্রামটিতে আনাগোনা বাড়ে বন্য শূকর ও চিতাবাঘসহ অন্যান্য জীবজন্তুর। এসব কারণে অনেক আগেই সবাই এই গ্রাম ছেড়েছে। তবে যেতে পারেননি বিমলা দেবী নামে ৬২ বছর বয়সী এক নারী। সম্প্রতি এক ডাচ চিত্রসাংবাদিকের নজরে আসে বিষয়টি। পরে ভারতীয় গণমাধ্যম ব-ুলের ওই নিঝুম গ্রামটিতে বাসরত বিমলা দেবীর অনুসন্ধান শুরু করে। সরেজমিনে ওই নারীর খোঁজ পায়। পরে জানা যায়, বিস্তীর্ণ এই গ্রামে বন্য প্রাণীর সঙ্গে লড়ে টিকে থাকা এই সাহসীনি বৃদ্ধার গল্প। তিনি নিজেই বলেন, গ্রামের পরিত্যক্ত মাঠে জায়গা করে নিয়েছে বুনো শূকর আর চিতা বাঘ। সন্ধ্যা নামলেই বাড়ির ভেতর শক্ত খিল লাগিয়ে আমাকে থাকতে হয়। আর অন্যদের তুলনায় আমার দিনটাও শুরু হয় অনেক দেরিতে।

বিমলা বলেন, কিছুদিন আগে পুষ্প দেবী নামে অপর এক বৃদ্ধা তার বাড়িতে থাকতেন। সম্প্রতি পুষ্প পাশের শহরে তার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে থাকছেন। আর এর থেকে আমি একাই রয়েছি গ্রামটিতে।

তিনি বলেন, আমি যদি আমার পাশের গ্রামের প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেখা বা কথা বলতে চাই, তবে আমাকে পাহাড়ের ৪০০ মিটার উঁচুতে উঠতে হয়।

নিজের সন্তান বিষয়ে বিমলা বলেন, আমার একমাত্র ছেলে গুরগাঁও শহরে থাকে। তার তিন সদস্যের পরিবার রয়েছে। কিন্তু সেখানে আমার থাকার জায়গা নেই। তাই আমি কিছুদিন হলো স্রেফ একা এভাবে পড়ে রয়েছি। আমার জীবন এখানে নিরাপদ নয়। আর যত্রতত্র বন্য প্রাণীর জন্য আমি অনেক সময় দিনেও ঘর থেকে বের হতে পারি না। এ সময় ভারত সরকারের কাছে পুরি শহরে একটি নিরাপদ ঘর চান বিমলা দেবী। হিন্দুস্থান টাইমস অবলম্বনে

নির্বাচিত সংবাদ