২৩ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যৌথ উদ্যোগে সিএসআর প্রকল্প চালুর ঘোষণা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ব্র্যাকের

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চট্টগ্রামের কয়েকটি প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং লালমনিরহাটের সিট মহলবাসীর জীবনমান উন্নয়নে অর্থ শিক্ষা ও লাইভলিহুড প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে বিদেশী খাতের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও এনজিও ব্র্যাক। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকল্প দুটি চালুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবরার এ. আনোয়ার, কাট্রি হেড অব কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স বিটপী দাশ চৌধুরী, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ মূসা ও শিক্ষা কর্মসূচীর পরিচালক শফিকুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ। আবরার এ. আনোয়ার বলেন, ব্যাংকিং কর্মকা-ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার বাইরেও আমরা দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সামাজিক জীবনযাপনের উন্নয়নের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টি রাখতে চাই। এই দুই উদ্যোগ আমাদের ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি ‘হেয়ার ফর গুড’ বাস্তবায়নের সাক্ষ্য বহন করে। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ মূসা বলেন, ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভাবনীমূলক উদ্যোগুলোর মাধ্যমে সমাজের মানুষের জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ব্র্যাক কাজ করে যাচ্ছে। অর্থ শিক্ষা প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন সচেতেনতামূলক কর্মকা- এবং আমাদের জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে এ দুটি প্রকল্প অবশ্যই জনগণের ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করবে।

তুরস্কে বেড়েই চলেছে মূল্যস্ফীতি

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় তুরস্কে বেড়েই চলছে মূল্যস্ফীতি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিত্যপণ্যের দাম গেল ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকলেও তুরস্কে তা উর্ধমুখী। জানুয়ারিতে দেশটির মূল্যস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে সাড়ে ৯ শতাংশে। এর আগে ২০১৪ সালের মাঝামাঝিতে দেশটির মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হলেও দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে ৮ এবং শেষের দিকে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হবে তুরস্ক। -অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অর্থমন্ত্রীর কাছে বিডিবিএল লভ্যাংশ হস্তান্তর

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ২০১৪ সালের জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১০ কোটি টাকার লভ্যাংশের চেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে হস্তান্তর করেছে। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জিল্লুর রহমান অর্থমন্ত্রীর কাছে চেকটি হস্তান্তর করেন। এ সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। চেক গ্রহণের পর অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যখন সরকারী ব্যাংকগুলোর অবস্থা খারাপ তখন বিডিবিএলের লভ্যাংশের এ টাকা খুব কম হলেও উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা। কারণ সরকারী বড় বড় ব্যাংকগুলোকে পরিচালনার জন্য অর্থ দিতে হয়। সেখানে বিডিবিএল ১০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছে।’ -অর্থনৈতিক রিপোর্টার

নির্বাচিত সংবাদ