২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উষ্ণ জলবায়ুর কারণে বাসস্থান পরিবর্তন করছে বিভিন্ন প্রজাতি

  • আবাস পরিবর্তনের কারণ উষ্ণ জলবায়ু

বিশ্বের প্রায় অর্ধেক উদ্ভিদ ও প্রাণীর উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে আবাস পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছে এবং প্রতিটি বড় প্রজাতি এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। খবর এএফপির।

জলবায়ু পরিবর্তনে বন্যপ্রাণীর ওপর কেমন প্রভাব পড়ে এর ওপর ব্রিটেনের প্লাইমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ক্যামিলি পারমেসান বলেছেন, হাজার হাজার প্রজাতির সম্পর্কিত উপাত্তে দেখা যায়, গত শতকে তাদের অনেকগুলোই তাদের বিচরণ ক্ষেত্র পরিবর্তন করেছে মেরু অঞ্চলের বিভিন্ন দিকে অথবা পাহাড়ের ওপর। প্রজাতির স্থানান্তর বিষয়ক এ সম্মেলনে পারমেসান বলেন, প্রাণীর ওপর উষ্ণতার অভাবের প্রমাণ রয়েছে কয়েকশ’ বিজ্ঞান সমীক্ষায়। বিভিন্ন প্রজাতি জলবায়ু পরিবর্তনে কতটা সাড়া দেয় এ বিষয়টির ওপর আলোকপাত করা হয় সম্মেলনে। পারমেসান বলেন, সমীক্ষার আওতাধীন এ প্রজাতিগুলোর প্রায় অর্ধেকই সাম্প্রতিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাদের আবাসস্থল পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, অত্যন্ত নাজুক প্রজাতিগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব দেখতে পাচ্ছি আমরা। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ফুল ছাড়ছে এমন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যান্য পরিবর্তন দেখা যায়। বছরের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ভ্রমণশীল পাখিরা গন্তব্যস্থলে আসে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পরিবর্তনশীল জলবায়ুর নাজুক প্রজাতিগুলোকে সবসময় রক্ষা করা সম্ভব নাও হতে পারে। তিনি বলেন, গাছগাছালি, গুল্ম প্রজাপতি, পাখি, স্তন্যপায়ী প্রাণী, উভচর প্রাণী, প্রবাল ও মাছসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির ওপরই প্রভাব পড়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের।

নাইজিরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৬০

নাইজিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকওয়া শহরে বাস্তুচ্যুতদের এক শিবিরে জঙ্গী সংগঠন বোকো হারামের দুই নারীর আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। বোর্নো প্রদেশের রাজধানী মাইদুগুরি শহর থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরে মঙ্গলবার সকালে এই হামলা চালানো হয়। দেশটির সেনাবাহিনী ও জরুরী কর্মকর্তারা বুধবার এ কথা জানিয়েছেন। খবর ডন ও এএফপির।

স্টেট ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির চেয়ারম্যান সাতোমি আহমদ জানান, এই হামলায় ৭৮ জন আহত হয়েছেন। আশ্রয় শিবিরের লোকজন খাবারের জন্য যখন লাইনে দাঁড়িয়েছিল, তখন এই বিস্ফোরণ দুটি ঘটানো হয়। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। কোন সংগঠনই এই হামলায় দায় এখনও স্বীকার করেনি। তবে হামলার ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে বোকো হারামই এই হামলা চালিয়েছে। কারণ তারা প্রায়ই হামলা চালাতে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করে থাকে। তবে সংগঠনটি সাধারণত বাস্তুচ্যুত লোকদের ওপর হামলা চালায় না। এবারই প্রথম এ ধরনের হামলা চালাল।