১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সোনার দাম আবারও বাড়ল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির অযুহাতে বাংলাদেশে প্রতিভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে প্রতিভরি ভাল মানের সোনার দর ৪৪ হাজার ৯৬৫ টাকা ঠিক করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। শনিবার থেকে নতুন এই দর কার্যকর হবে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতিভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম পড়বে ৪৪ হাজার ৯৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪২ হাজার ৮৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হবে ৩৬ হাজার ২১৭ টাকা ভরি। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৫ হাজার ১৩৬ টাকায় দাঁড়াবে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ বাড়ানো হয়েছিল সোনার দাম। তখন প্রতিভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ঠিক হয় ৪৩ হাজার ৭৪০ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪১ হাজার ৬৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হয় ৩৪ হাজার ৯৯২ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে ভরির দাম দাঁড়িয়েছিল ২৩ হাজার ৯১১ টাকা। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বেড়েছে ভরিতে ৫৮ টাকা। এক সপ্তাহের মধ্যে দাম বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান জনকণ্ঠকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কয়েক দফা স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তাই বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দর বাড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ল। ফেব্রুয়ারির আগে গত ১৩ জানুয়ারিও ভরিতে ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। অর্থাৎ চলতি বছরে দেড় মাসে দাম বাড়ল ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা। এর আগে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ভরিতে সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তার আগে ৯ নবেম্বর সব ধরনের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা করে কমিয়ে ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। গত বছরের শেষ দিকে দুই দফা দাম কমানোর আগে ১৭ অক্টোবর ভরিতে দেড় হাজার টাকা বেড়েছিল সোনার দাম। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। সনাতন পদ্ধতির সোনা পুরনো স্বর্ণালঙ্কার গলিয়ে তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে কত শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা মিলবে, তার কোন মানদ- নেই।

বিএসসির বহরে যুক্ত হবে নতুন ১৬ জাহাজ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) বহরে যুক্ত হবে ১৬টি নতুন জাহাজ। এরমধ্যে ১০টি জাহাজ সংগ্রহ করা হবে কয়লা পরিবহনের জন্য। বন্দর ও আমদানি-রফতানি বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। বোর্ড সভা সূত্রে জানা যায়, বন্দর ও সক্ষমতা এবং পাশাপাশি পণ্য আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জাহাজ বহরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মোট ১৬টি নতুন জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। এরমধ্যে ৬টি জাহাজ যুক্ত হবে ২০১৮ সালের মধ্যে। কয়লাভিত্তিক একাধিক বিদ্যুত কেন্দ্র হচ্ছে বিধায় জলপথে কয়লা পরিবহনও বেড়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনা নিয়েই বাকি ১০টি জাহাজ হবে কয়লা পরিবহনের জন্য। একই সভায় দুটি পুরনো জাহাজ বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্তও হয়। জাহাজ দুটি হচ্ছে ‘বাংলার কাকলি ’ ও ‘বাংলার কল্লোল’। বোর্ড সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় ও বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচআর ভুঁইয়া এবং শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, পুরনো জাহাজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকছে রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা বিএসসি। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এ ধরনের পুরনো জাহাজের প্রতি আগ্রহী নয় আমদানি-রফতানিকারকরা। ফলে নতুন জাহাজ ক্রয়ের বিষয়টি বেশ ক’বছর ধরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এবার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নতুন জাহাজ সংগ্রহে মন্ত্রণালয় আর বিলম্ব করতে চায় না বলে বিএসসি সূত্রে জানানো হয়।