১৪ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিমানবন্দরে তিন শ’ কেভি জেনারেটর স্থাপন কাজে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ৬৯ লাখ টাকা বরাদ্দে সমুদয় টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা ভেস্তে গেছে। সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদের সঙ্গে আঁতাত করে জেনারেটর স্থাপন ও ডেলিভারি না দিয়ে বিল উত্তোলনের খবর জেনে মোঃ আলমগীর হোসেন নামে একজন ঠিকাদার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ দাখিল করেন। ইতোপূর্বে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল নামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট দফতরের দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশে কৌশলে সাত মাস আগে জেনারেটর ডেলিভারির ভুয়া কাগজপত্র জমা করে বিল উত্তোলনও করেছে। ঘটনাটি দীর্ঘদিন গোপন থাকে। গত ২৪ জানুয়ারি বিষয়টি লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে এ নিয়ে পুরো সিভিল এ্যাভিয়েশনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অভিযোগটি আমলে নেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান। দীর্ঘ সাত মাস পর টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অবশেষে নিম্নমানের একটি জেনারেটর সোমবার কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এদিকে আন্তর্জাতিক মানসম্মত (ইউকে) জেনারেটর ডেলিভারি ও স্থাপন না করে নিম্নমানের জেনারেটর ডেলিভারি ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল। নিম্নমানের এ জেনারেটর স্থাপনে যে কোন সময় ত্রুটি দেখা দিয়ে মারাত্মক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে অভিজ্ঞমহল মত প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, গত বছর জুনের শুরুর দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৩শ’ কেভি জেনারেটর ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরদাতা হিসেবে ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করলেও দীর্ঘ সময়ে জেনারেটরটি সরবরাহ না দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদের সঙ্গে আঁতাত করে সমুদয় টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা চালায়। এ ব্যাপারে কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মহন্ত বলেন, জেনারেটর ক্রয়ের টেন্ডারটি আমার আমলে হয়নি। সাবেক ব্যবস্থাপকের আমলে টেন্ডার ও এর বিপরীতে প্রত্যয়ন এবং অর্থও ছাড় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর এটি সরবরাহ দেয়া হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি। নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বাগেরহাটে কুমির ধলাপাহাড়ের চামড়া হস্তান্তর

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ খানজাহান (র) স্মৃতিবিজড়িত কিংবদন্তির মৃত ধলাপাহাড় কুমির প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক আলতাফ হোসেনের কাছে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম ঐতিহাসিক ধলাপাহাড়ের চামড়া হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সময় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, মামুনুল হাসান, প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালক আমিরুজ্জামান, সহকারী পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান, সদরের ইউএনও শরীফ নজরুল ইসলাম, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান গোলাম ফেরদৌস, ষাটগম্বুজ মসজিদের ইমাম হেলাল উদ্দিন মাতাব্বর প্রমুখ।

ঐতিহাসিক ধলাপাহাড় বাংলাদেশে টিকে থাকা মিঠাপানির কুমিরের সর্বশেষ প্রজাতি। বিরল প্রজাতির এই ঐতিহাসিক কুমিরটি গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে মারা যায়।