১৯ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তিন দফা দাবিতে বাপসার মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তিন দফা দাবিতে সারাদেশের ৪৫৭১ ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের সংগঠন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সেক্রেটারি সমিতি (বাপসা) মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিসমূহ হচ্ছে- ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের পদবি পরিবর্তনপূর্বক ১০ম গ্রেড স্কেলের মর্যাদা প্রদান, বেতন, বোনাস, আনুতোষিক, লামগ্রান্ট, বিনোদন ভাতাসহ যাবতীয় অর্থ শতভাগ সরকারী কোষাগার থেকে প্রদানের ব্যবস্থা করা এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে পেনশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাপসা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ হাবিবুর রহমান। বাপসা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাসুদ পারভেজের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক সভাপতি এইচএম রেজাউল করিম, তুহিন, আতিকুর রহমান, আব্দুল লতিফ মোল্লা, আব্দুল কাদের, এজিএম মোহসিন রেজা, নজরুল ইসলাম, মাহবুব আলম মোল্লা প্রমুখ। সভাপতি শেখ হাবিবুর রহমান বলেন, উল্লিখিত দাবিসমূহ আগামী ৬ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেবে বলে আমরা আশাবাদী। তবে উক্ত তারিখের মধ্যে সরকার সংশ্লিষ্ট দফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা না করলে সচিবগণ দাবি আদায়ে কঠোরতর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। মানববন্ধন শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। -বিজ্ঞপ্তি

পর্যটক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ১১ ফেব্রুয়ারি ॥ খুটা জালের নৌকা বেঁধে রাখা রশির সঙ্গে চলন্ত মোটর সাইকেলের যাত্রী পর্যটক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাকিলের গলায় আটকে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। কুয়াকাটা সৈকতের লে¤ফুর চর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই বেল্লাল জানান, ভাড়াটে মোটরসাইকেলে চড়ে শাকিল তার চাচা-চাচির সঙ্গে কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে নির্মম দুর্ঘটনার শিকার হয়। একই মোটরসাইকেলে তারা লেম্ফুরচর সৈকতে যাচ্ছিলেন। দ্রুত গতিতে চালানো মোটরসাইলের সঙ্গে নোঙ্গর করা রশি আটকে যায়। মোটর সাইকেলের সামনে বসা ছিল শাকিল। তার গলায় নাইলনের রশি পেঁচিয়ে শরীর থেকে ধর বিচ্ছিন হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আহত হয় চালক নূর আলম। তার অবস্থাও শঙ্কটজনক। তাকে কুয়াকাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শাকিলের বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারি উপজেলার চরবর্ণী গ্রামে।

বাগেরহাটে মাদ্রাসা কর্মচারী খুন

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ মোরেলগঞ্জে হামেদ দরানী (৬৫) নামে এক মাদ্রাসা কর্মচারীকে তার প্রাক্তন জামাই দলবল নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। বুধবার রাতে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জামিরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামেদ দরানী ওই গ্রামের নুরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার দফতরি ছিলেন।

ঘটনার সময় নিজ বাড়ি থেকে ছেলে লিটন দরানীকে সাথে নিয়ে কর্মস্থল মাদ্রাসার দিকে যাচ্ছিলেন হামেদ। মাদ্রাসার সামনে পৌঁছানো মাত্র জামিরতলা গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে আবু হাওলাদার (৩০)সহ ৪/৫জনের একটি সন্ত্রাসী দল হামেদ দরানী ও তার ছেলে লিটনকে মারপিট শুরু করে। লিটন দৌড়ে আত্মরক্ষা করতে পারলেও ধারালো দায়ের কোপে গুরুতর জখম হয়ে রাস্তায় পড়ে যায় বৃদ্ধ হামেদ। এ সময় ওই সন্ত্রাসীরা হামেদের পাজরে ছোরা ঢুকিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা হামেদকে উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত হামেদ দরানীর স্ত্রী সেকানুর বেগম জানান, ৭ বছর পূর্বে জামিরতলা গ্রামের আবু হাওলাদারের সাথে বিয়ে হয় শারমিনের। ৫ মাস পূর্বে আবু হাওলাদারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের। এই ছাড়াছাড়ির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে আবু তার শ্বশুর পক্ষের সকলকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আবু ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে তার সাবেক শ্বশুর হামেদ দরানী ও শ্যালক লিটনকে আক্রমণ করে।

এই মাত্রা পাওয়া