২৪ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নই বড় চ্যালেঞ্জ

  • সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলের নেতা বেগম রওশন এরশাদ। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নুুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, দেশে শিক্ষার মান বাড়েনি তা সত্য নয়। তবে এ যুগে শিক্ষার মান যে পরিমাণ অর্জিত হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের হাতে এমন কোন ম্যাজিক নেই যে রাতারাতি শিক্ষার মান বাড়ানো যায়। এর জন্য সময় লাগবে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিরোধী দলের নেতা সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে বিশ্বের মানসম্মত ১১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় প্রচ্যের অক্সফোর্ড বলে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। এরপরও ঢালাওভাবে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়ছে না। এ নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট বিক্রির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললে জবাবে শিক্ষামন্ত্রী তা কিছুটা স্বীকারও করেন। নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন দেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ৫৬টি। এর মধ্যে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৪/১৫ বছরের পুরনো। অনুমোদন নেয়ার সময় ৫ বছরের মধ্যে যেসব শর্ত পূরণের কথা ছিল তা কেউ-ই পূরণ করেনি। এর মধ্যে কিছু আছে যারা শুধু সার্টিফিকেট বিক্রি করে। এ কারণে সরকার ১৪টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বাতিল করেছে। তারা উচ্চ আদালতে রীট করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি নিয়ে প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন শিক্ষামন্ত্রী। জবাব দিতে গিয়ে আগের মতোই অর্থের অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। হুইপ আতিউর রহমান আতিকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজ টাকা পেলে কালই আমরা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করব।

অধিক অর্থ ফেরত না দিলে কঠোর ব্যবস্থা ॥ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম লায়লা আরজুমান বানুর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অধিক হারে অর্থ আদায়ের অভিযোগ এসেছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত নেয়া অর্থ ফেরত না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।